বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জ্যাপফার বৈঠক, কৃষি ও পোল্ট্রি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা
বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জ্যাপফার বৈঠক, কৃষি-পোল্ট্রি বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা

বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে জ্যাপফার বৈঠক, কৃষি ও পোল্ট্রি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ইন্দোনেশিয়া ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জ্যাপফা পিটিই-এর এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান রেনালদো সান্তোসা বৈঠক করেছেন। বুধবার (৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রীর দফতরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

বাংলাদেশের উদীয়মান অর্থনীতির সম্ভাবনা

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে একটি উদীয়মান অর্থনীতির দেশ হিসেবে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারের বিভিন্ন নীতিগত সহায়তা ও সংস্কার কার্যক্রমের ফলে দেশে বিনিয়োগ পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশের উন্মুক্ত ও সহায়ক পরিবেশের কথা তুলে ধরে কৃষি ও পোল্ট্রি খাতে অধিক বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, এ ধরনের বিনিয়োগ বাংলাদেশের কৃষি ও পোল্ট্রি খাতকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকার টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বৈদেশিক বিনিয়োগকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জ্যাপফার বিনিয়োগ আগ্রহ ও পরিসংখ্যান

বৈঠকে জ্যাপফার এক্সিকিউটিভ চেয়ারম্যান রেনালদো সান্তোসা বাংলাদেশে কৃষি ও পোল্ট্রি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাজার, সম্ভাবনাময় কৃষি খাত এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের প্রশংসা করেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়ার বহুজাতিক কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান জ্যাপফা ২০২০ সাল থেকে এ দেশে বিনিয়োগ করে আসছে এবং ইতোমধ্যে পোল্ট্রি ফিড খাতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছে। বাংলাদেশে জ্যাপফার এই বিনিয়োগ কার্যক্রম বে গ্রুপের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হচ্ছে।

  • বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগ থেকে বর্তমানে জ্যাপফার বার্ষিক টার্নওভার প্রায় ৪.৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
  • ২০৩০ সালের মধ্যে এই টার্নওভার ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৈঠকে উপস্থিত অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ

বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিইউওয়াতি, বে গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জিয়াউর রহমান এবং ডিরেক্টর আসিফুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকটি বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।