ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ড্রামে তেল না দেওয়ায় ফিলিং স্টেশনে হামলা, দুটি পাম্প বন্ধ
ভাঙ্গায় ড্রামে তেল না দেওয়ায় হামলা, দুটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ড্রামে তেল না দেওয়ায় ফিলিং স্টেশনে হামলা, দুটি পাম্প বন্ধ

ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় ড্রামে তেল সরবরাহে অস্বীকৃতি জানানোকে কেন্দ্র করে একটি ফিলিং স্টেশনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে বুধবার সকাল থেকে উপজেলার দুটি ফিলিং স্টেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রেখেছেন মালিকরা। বন্ধ থাকা স্টেশন দুটি হলো ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সুয়াদী এলাকার সিসিবিএল ফিলিং স্টেশন এবং ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পুখুরিয়া ফিলিং স্টেশন।

হামলার ঘটনা ও আহতদের অবস্থা

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাত ১০টার দিকে সিসিবিএল ফিলিং স্টেশনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। এতে পাম্পের মালিক সালমান মুন্সি ও দুই কর্মচারী আহত হন। বর্তমানে তারা ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আহত মালিকের ভাই বাইজিদ মুন্সি জানান, স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি ড্রামে করে তেল নেওয়ার জন্য চাপ দেন। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী ড্রামে তেল সরবরাহ না করায় তারা ক্ষুব্ধ হয়ে পাম্পে হামলা চালায় এবং তার ভাইসহ কর্মচারীদের মারধর করে।

কালোবাজারি রোধে নীতি ও মালিকদের প্রতিবাদ

বাইজিদ মুন্সি আরও বলেন, কালোবাজারি রোধে ড্রামে তেল বিক্রি না করার নীতি অনুসরণ করা হচ্ছিল। এ কারণে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেন তিনি। হামলাকারীদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত তাদের মালিকানাধীন দুটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকবে বলেও জানান তিনি। এই সিদ্ধান্তে স্থানীয় যানবাহন ও সেচ পাম্প মালিকরা ভোগান্তির সম্মুখীন হচ্ছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

পুলিশের তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা

ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং হামলায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশের এই পদক্ষেপ আশা জাগাচ্ছে যে অচিরেই শান্তি ফিরে আসবে এবং স্টেশনগুলো পুনরায় চালু হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয়দের ভোগান্তি ও প্রভাব

এদিকে, হঠাৎ করে দুটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঢাকা-খুলনা ও ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহন এবং স্থানীয় সেচ পাম্পের মালিকরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। তেলের অভাবে যানবাহন চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং কৃষি কাজেও সমস্যা দেখা দিচ্ছে। স্থানীয়রা দ্রুত সমাধানের দাবি জানাচ্ছেন, যাতে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হতে পারে।