বাংলাদেশ-ফিলিপাইন চেম্বারে নতুন নেতৃত্ব: রকি সভাপতি, কারমেন সহ-সভাপতি নির্বাচিত
বাংলাদেশ-ফিলিপাইন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিপিসিসিআই) ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য নতুন নেতৃত্ব ঘোষণা করা হয়েছে। রকিব মো. ফখরুল (রকি), যিনি মুন্সি এইচআর সলিউশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং মুন্সি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, তিনি চেম্বারের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। একই সাথে, কারমেন জে লামাগনে, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এআইইউবি) অধ্যাপক, সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
নয়ম বার্ষিক সাধারণ সভায় ঘোষণা
এই ঘোষণা দেওয়া হয় সোমবার, ৩০ মার্চ অনুষ্ঠিত নয়ম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম)। এই সভায় চেম্বারের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং নতুন মেয়াদের জন্য নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
নির্বাচিত অন্যান্য পরিচালকগণ
নতুন পরিচালক পরিষদে আরও যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন:
- কাজি শাহ মুজাক্কের আহমদুল হক, টোটাল এয়ার সার্ভিসেস লিমিটেডের পরিচালক
- সিফাত আহমেদ চৌধুরী, এবিএম ট্রেডিং অ্যান্ড ফরমুলেশন লিমিটেডের পরিচালক
- রব এইচ মজুমদার, দ্য সিকিউরিটির সম্পাদক ও প্রকাশক
- শাহ শফিকুল ইসলাম, আবুল খায়ের স্টিল মেল্টিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক
- আশাব হাসান, জায়ান্ট গ্রুপের প্রকল্প সমন্বয়ক
- মো. আনিসুজ্জামান, পিনয় ট্রাভেলসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
- কার্লিন নোয়েলেজিতা লামাগনে, আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এআইইউবি) অর্থনীতি বিভাগের উপ-পরিচালক ও সিনিয়র সহকারী অধ্যাপক
- খোরশেদ আলম, নিলয় নিটওয়ার্কের স্বত্বাধিকারী ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা
চেম্বারের ভূমিকা ও গুরুত্ব
বাংলাদেশ-ফিলিপাইন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নতুন নেতৃত্বের অধীনে চেম্বার দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ, আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি এবং ব্যবসায়িক সহযোগিতা জোরদার করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। রকি এবং কারমেনের মতো অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্বের নেতৃত্বে চেম্বারের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে বিশ্লেষকরা মত দিয়েছেন।
এই নির্বাচন বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নতুন পরিচালক পরিষদ তাদের মেয়াদে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংযোগ বৃদ্ধি এবং বাণিজ্যিক সুযোগ সৃষ্টিতে মনোনিবেশ করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।



