ঈদযাত্রায় অনলাইন টিকিটে ব্যাপক চাপ: ৩৭ লাখের আবেদন, ৩৬ হাজার টিকিট বিক্রি
ঈদুল ফিতরের ছুটিতে রেলযাত্রীদের জন্য অনলাইন টিকিট বিক্রিতে ব্যাপক চাপের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম শুক্রবার (১৩ মার্চ) কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ তথ্য প্রকাশ করেছেন।
অনলাইনে টিকিট সংগ্রহের চেষ্টা ও বাস্তবতা
মন্ত্রী জানান, গত ৩ মার্চ থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ টিকিট সংগ্রহের চেষ্টা করেছেন। তবে রেলওয়ের সক্ষমতা অনুযায়ী মাত্র ৩৬ হাজার টিকিট বিক্রি করা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা ৩ তারিখ থেকে ১০ দিন আগের টিকিট ধারাবাহিকভাবে অনলাইনে ছেড়েছিলাম। যাত্রীরা অনলাইনে টিকিট সংগ্রহ করেছেন এবং আজ থেকে ঈদযাত্রা শুরু হয়েছে। স্টেশনে এসে দেখলাম এখন পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক আছে। অনলাইন টিকিটে ব্যাপক চাপ ছিল; প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ টিকিট কিনতে চেয়েছেন।’
ঈদযাত্রার প্রথম দিনের পরিস্থিতি
শুক্রবার ঈদযাত্রার প্রথম দিনে রেল পরিষেবার হালনাগাদ তথ্য দিয়ে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এখন পর্যন্ত ২১টি ট্রেন স্টেশন ছেড়ে গেছে। এর মধ্যে প্রায় সবগুলোই নির্ধারিত সময়ে রওনা দিয়েছে। তবে দুটি ট্রেন প্রায় ৪০ মিনিট বিলম্বে ছেড়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।
যাত্রীদের প্রতিক্রিয়া ও মন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি
মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি যাত্রীদের সাথে কথা বলেছি, তারা খুশি। তবে এই সেবার মান বজায় থাকবে কি না, তা নিয়ে কেউ কেউ শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। আমি তাদের আশ্বস্ত করেছি যে রেলের এই সেবার মান যেকোনো মূল্যে অব্যাহত রাখা হবে এবং ভবিষ্যতে তা আরও উন্নত হবে।’ তার এই বক্তব্যে যাত্রীদের মধ্যে একটি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে, অনলাইন টিকিটিং সিস্টেমের মাধ্যমে ঈদযাত্রার প্রস্তুতি নিয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা ও চাহিদার মধ্যে পার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ভবিষ্যতে আরও উন্নত প্রযুক্তি ও পরিকাঠামো গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মত দিচ্ছেন।



