বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য সম্পর্ক আরও দৃঢ় করতে কাজ করছে দুই দেশ
বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। বাণিজ্য ও শিল্প খাতকে আরও সদৃঢ় করতে উভয় দেশই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
সিলেটে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠক
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে সিলেট সার্কিট হাউজে ভারতের সহকারী হাইকমিশনার অনিরুদ্ধ দাসের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে মন্ত্রী এ কথা জানান। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই আলোচনা সিলেট অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারও দুই দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করতে তার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। বৈঠকে সিলেট অঞ্চলের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য সম্প্রসারণ, স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি, ব্যবসায়িক বাধা দূরীকরণ, পাট ও বস্ত্র খাতে বিনিয়োগ এবং শিল্প উন্নয়নে কারিগরি সহযোগিতা নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
টিসিবির ভ্রাম্যমাণ ট্রাকসেল কার্যক্রমের আকস্মিক পরিদর্শন
এর আগে, বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট নগরীতে ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) ভ্রাম্যমাণ ট্রাকসেল কার্যক্রম আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেন। এদিন বিকালে লাক্কাতুরা এলাকায় টিসিবির পণ্যের মান ও বিতরণ প্রক্রিয়া সরেজমিন দেখে তিনি সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, টিসিবির সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ওয়ার্ডে এক বা একাধিক নাগরিক কমিটি গঠন করা হবে। এটি করা হবে যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম না ঘটে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, টিসিবির পণ্য সরবরাহ কেবল একটি বিতরণ কার্যক্রম নয়, এটি একটি জরুরি সেবা।
রমজান উপলক্ষ্যে সাশ্রয়ী মূল্যে পণ্য বিক্রির বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসাবে আগামী ১২ মার্চ পর্যন্ত দেশব্যাপী ট্রাকসেল কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। পরিদর্শনকালে টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সাল আজাদসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির ইফতার মাহফিলে অংশগ্রহণ
বৈঠক ও পরিদর্শন শেষে সন্ধ্যায় বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত একটি ইফতার মাহফিলে অংশ নেন। এই কর্মসূচিগুলো মন্ত্রীর সিলেট সফরের অংশ হিসেবে সম্পন্ন হয়েছে, যা স্থানীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
