পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ব্যবসায়িক সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করবে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট (পিবিআইএল) ও কোরিয়া-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (কেবিসিসিআই)। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি উভয় পক্ষ একটি কৌশলগত অংশীদারত্ব বা সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর করেছে। ৩ মে রাজধানীর গুলশানে কেবিসিসিআই কার্যালয়ে এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হয়।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেবিসিসিআই সভাপতি শাহাব উদ্দীন খান, মহাসচিব মিলিয়ন পার্ক ও পরিচালক চৈতন্য কুমার দে। প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্টের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সৈয়দ এম ওমর তায়ুব। এ ছাড়া উভয় পক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
চুক্তির মূল উদ্দেশ্য
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট এসব তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই অংশীদারত্ব চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশে কোরীয় বিনিয়োগকারীদের থেকে বিনিয়োগ আনার উদ্যোগ নেওয়া এবং পুঁজিবাজারে তাদের প্রবেশ সহজ করা। এ ছাড়া কোরিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষায়িত আর্থিক সেবার ব্যবস্থা করাও এই চুক্তির অন্যতম দিক।
প্রদত্ত সেবাসমূহ
চুক্তি অনুযায়ী, কেবিসিসিআই সদস্যদের জন্য পিবিআইএল বেশ কিছু সেবা প্রদান করবে। এর মধ্যে রয়েছে, মূলধন সংগ্রহ ও ব্যবসায়িক পরামর্শ সেবা; দক্ষ পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিনিয়োগের তদারকি করা; বিশেষ সুবিধার ভিত্তিতে ডিসক্রিশনারি সেবা (বিশেষজ্ঞ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া ও পরিচালনা) দেওয়া।
পক্ষগুলোর বক্তব্য
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্টের এমডি ও সিইও সৈয়দ এম ওমর তায়ুব বলেন, ‘এই সহযোগিতা কৌশলগত বিনিয়োগ সহজ করতে আমাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। আমরা বিশ্বাস করি, এর মাধ্যমে কোরিয়া-বাংলাদেশ বিনিয়োগ সংযোগ আরও শক্তিশালী হবে এবং বিদেশি বিনিয়োগ ও প্রবাসীদের সম্পৃক্ততার নতুন দরজা উন্মুক্ত হবে।’
কেবিসিসিআই সভাপতি শাহাব উদ্দীন খান বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক সক্ষমতার কারণে কোরীয় বিনিয়োগকারীদের কাছে এটি দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনাময় একটি বাজার। প্রাইম ব্যাংক ইনভেস্টমেন্টের সঙ্গে এই অংশীদারত্বের মাধ্যমে আমরা কোরীয় বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশের পুঁজিবাজার ও বিনিয়োগ ব্যবস্থার সঙ্গে একটি কার্যকর সেতু তৈরি করতে চাই।’



