আরলা ফুডস বাংলাদেশ ডানো ল্যাক্টো রিডিউসড ফিলড মিল্ক পাউডার উদ্বোধনের ঘোষণা দিয়েছে। ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্সের কারণে দুধ পরিপাকের অসুবিধায় ভোগা মানুষের কথা মাথায় রেখে এই পণ্যটি তৈরি করা হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) আরলা ফুডস বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মুলার এবং ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন চেম্বার অফ কমার্সের চেয়ারপার্সন নুরিয়া লোপেজ।
বাংলাদেশের প্রথম ল্যাক্টো রিডিউসড ফিলড মিল্ক পাউডার
স্থানীয় দুগ্ধ খাতে নতুন ক্যাটাগরি হিসেবে ডানো ল্যাক্টো রিডিউসড বাংলাদেশের প্রথম ল্যাক্টো রিডিউসড ফিলড মিল্ক পাউডার। স্থানীয় খাদ্যাভ্যাসের বাস্তবতা বিবেচনায় বৈশ্বিক অভিনবত্ব ব্যবহার করে আরলা এই পণ্যটি বাজারে এনেছে। শরীরের প্রয়োজনীয় পুষ্টি চাহিদা পূরণে দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্সের কারণে দুধ পরিপাকের সমস্যায় ভোগেন। ফলে তারা দুধ কমিয়ে দেন বা বাদ দিয়ে দেন।
ল্যাক্টোজ কমানোর প্রযুক্তি
সহজে পরিপাকের জন্য ল্যাক্টেজ এনজাইম ব্যবহার করে দুধে ল্যাক্টোজের পরিমাণ ৩৬ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশে আনা হয়েছে। এতে ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্সের সমস্যার সমাধানে সহায়তা করে ডানো ল্যাক্টো রিডিউসড। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরলা ফুডস বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর লরেন্ট পন্টি বলেন, সামাজিক চাহিদার ভিত্তিতেই আরলার অভিনবত্বের সৃষ্টি হয়। ডানো ল্যাক্টো রিডিউসড পরিপাকের সমস্যা কমিয়ে দুধের পুষ্টিগুণ অক্ষুন্ন রাখে। বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য ও সার্বজনীন দুগ্ধ পুষ্টি নিশ্চিত করতে এই পণ্যটি আরলার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
ডেনমার্ক-বাংলাদেশ সহযোগিতার উদাহরণ
বাংলাদেশে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মুলার বলেন, বাণিজ্য, উন্নয়ন ও পারস্পরিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে ডেনমার্ক ও বাংলাদেশের মধ্যে শক্তিশালী ও দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা রয়েছে। গুণমান নিশ্চিতকরণ, দায়িত্বশীলতা ও অভিনবত্বের প্রতি ডেনমার্কের প্রতিশ্রুতির পরিচায়ক আরলা ফুডস। ড্যানিশ দক্ষতা কীভাবে বাংলাদেশে পুষ্টি ও টেকসই উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে তার উদাহরণ এই পণ্যটির উদ্বোধন।
গৃহস্থালী ব্যবহারের জন্য তৈরি
পণ্যটি মূলত গৃহস্থালী ব্যবহারের জন্য তৈরি, বিশেষ করে পাঁচ বছর বয়সের বেশি শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক ও বয়স্কদের জন্য যারা দুধ খেলে অস্বস্তি বোধ করেন। আরলা ফুডস বাংলাদেশ নিরাপদ, সহজলভ্য ও ভোক্তাকেন্দ্রিক দুগ্ধজাত পুষ্টি পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য অব্যাহত রেখেছে, যাতে আরও বেশি মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে ও সাশ্রয়ী মূল্যে দুধের উপকারিতা উপভোগ করতে পারে।



