চাঁদপুরের শুঁটকি বাজার এখন জমজমাট। সারি সারি মাটির পাত্রে শুঁটকি রাখা হয়েছে। প্লাস্টিকের ড্রামে লবণ দিয়ে ইলিশ মাছ সংরক্ষণ করা হচ্ছে। দোকানের সামনে রোদে শুঁটকি শুকানো হচ্ছে। কুচো চিংড়ির শুঁটকির বেচাকেনা বেশি চলছে।
শুঁটকির প্রকারভেদ
বাজারে বিভিন্ন প্রজাতির শুঁটকি পাওয়া যায়। কোরাল মাছের শুঁটকি, ইলিশের শুঁটকি, চিংড়ির শুঁটকি—সবই রয়েছে। প্রতিটি পাত্রে আলাদা করে রাখা হয়েছে। ক্রেতারা দোকানে এসে শুঁটকি যাচাই করে দেখছেন।
বিক্রির প্রক্রিয়া
বিক্রেতারা বস্তায় ভরে শুঁটকি আড়তে নিয়ে আসছেন। পথের দুধারে শুঁটকির দোকান সাজানো। একজন বিক্রেতা শুঁটকি বের করছেন, আরেকজন ক্রেতাকে দেখাচ্ছেন। দোকানের সামনে শুঁটকি রোদে শুকাতে দেওয়া হয়েছে।
অর্থনৈতিক গুরুত্ব
শুঁটকি ব্যবসা চাঁদপুরের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। স্থানীয় মৎস্যজীবী ও ব্যবসায়ীরা এই বাজার থেকে জীবিকা নির্বাহ করেন। কুচো চিংড়ির শুঁটকির চাহিদা বেশি, যা স্থানীয় ও দেশের বাজারে সরবরাহ করা হয়।
প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন। বাংলাদেশ থেকে আরও ছবির গল্প দেখুন।



