বাংলাদেশের হসপিটালিটি ও ট্যুরিজম খাতে অপার সম্ভাবনা থাকলেও কাঠামোগত ও নীতিগত নানা চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। দীর্ঘদিনের হোটেল ব্যবসায়ী এবং ‘বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশন’–এর (বিআইএইচএ) সাবেক প্রেসিডেন্ট খালেদ উর রেহমান মনে করেন, এই শিল্পকে নতুনভাবে মূল্যায়ন ও পুনর্গঠন করার এখনই উপযুক্ত সময়।
বিদেশি পর্যটকের ধরন
বর্তমানে বাংলাদেশে বিদেশি পর্যটকদের উপস্থিতির সিংহভাগই ‘বিজনেস ট্রাভেলার’। তৈরি পোশাক খাত, উন্নয়ন প্রকল্প, দূতাবাস এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক করপোরেট সংস্থার প্রয়োজনে তাঁরা আসছেন। কিন্তু পর্যটনশিল্পের মূল প্রাণশক্তি বিনোদন ভ্রমণকারীদের সেবার জায়গায় বাংলাদেশের অবস্থান এখনো নগণ্য। গ্লোবাল ব্র্যান্ডিং ও ডেস্টিনেশন মার্কেটিংয়ে দেশ অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে।
প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ
ঘাটতি ঘুচিয়ে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ‘অ্যাগ্রেসিভ’ আন্তর্জাতিক প্রচারণার বিকল্প নেই। ‘ভিজিট বাংলাদেশ’ যেন কেবল স্লোগানে সীমাবদ্ধ না থাকে; একে কার্যকর গ্লোবাল ক্যাম্পেইনে রূপ দিতে হবে। পাশাপাশি আধুনিক বিমানবন্দর অভিজ্ঞতা, ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং পর্যটনবান্ধব অবকাঠামো নিশ্চিত করা জরুরি।
হোটেল শিল্পের চ্যালেঞ্জ
দেশের হোটেলশিল্প বর্তমানে নানামুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। উচ্চ ব্যাংক সুদ, ইউটিলিটি খরচ বৃদ্ধি এবং দক্ষ জনশক্তির অভাব অনেক প্রতিষ্ঠানকে সংকটে ফেলেছে। এই শিল্পকে বাঁচাতে সরকারের বিশেষ সহায়তা এখন সময়ের দাবি।
লেখক: সাবেক প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএইচএ)



