সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকা উত্তোলনের সুযোগ পাবেন
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে চিকিৎসার জন্য ১০ লাখ টাকা উত্তোলন

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য চিকিৎসা উত্তোলনের সুযোগ

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের শারীরিকভাবে অসুস্থ গ্রাহকরা এখন চিকিৎসার প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংক এই বিষয়ে ব্যাংকের প্রশাসকদের অবগত করেছে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক সম্পর্কিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত মুখপাত্র শাহরিয়ার সিদ্দিকী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কোনো গ্রাহক অসুস্থ থাকলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে নিজ নিজ ব্যাংক থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন। এর বেশি অর্থের প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানাতে হবে।

যাচাই-বাছাই ও অভিযোগ প্রক্রিয়া

শাহরিয়ার সিদ্দিকী আরও উল্লেখ করেন যে, গ্রাহক সত্যিই অসুস্থ কিনা তা যাচাই-বাছাই করা হবে। কেউ টাকা তুলতে না পারলে বাংলাদেশ ব্যাংকে সরাসরি অভিযোগ জানানোর সুযোগ রয়েছে। তিনি গ্রাহকদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবাই ধাপে ধাপে টাকা পাবেন। সরকার যেভাবে আমানত সরবরাহ করছে, সেই অনুপাতে অর্থ ছাড় করা হচ্ছে এবং শুরুতে ২ লাখ টাকা করে দেওয়া হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

ব্যাংকের কাঠামোগত উন্নয়ন

ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগের বিষয়টি নতুন এবং চেয়ারম্যান নিয়োগের প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি। এমডি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি ইতোমধ্যে প্রকাশ করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত পেলেই বাংলাদেশ ব্যাংক দ্রুত এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

পাঁচটি ব্যাংক একীভূত হওয়ায় প্রশাসনিক ও কাঠামোগত সমন্বয়ের কাজও চলছে। শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • প্রয়োজন অনুযায়ী একাধিক শাখা একীভূত করে একটি শাখায় রূপান্তর করা হচ্ছে।
  • অপ্রয়োজনীয় ভাড়া করা হেড অফিসগুলো ধীরে ধীরে বন্ধ করা হচ্ছে।
  • আইটি খাতেও সমন্বয়ের কাজ চলছে, পাঁচটি ব্যাংকের ভিন্ন ভিন্ন কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যার একীভূত করে একটি প্ল্যাটফর্মে আনার জন্য বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন।
  • জনবল ব্যবস্থাপনা ও কার্যক্রম আরও দক্ষ করতে পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

পুরো প্রক্রিয়াটি সময়সাপেক্ষ হলেও সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা করছে। আমানতকারীদের আরেকটু ধৈর্য ধরতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।