স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ফাউন্ডেশনের নতুন গ্লোবাল হেড নালিনী তারাকেশ্বর
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ফাউন্ডেশনের গ্লোবাল হেড হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন নালিনী তারাকেশ্বর। একইসঙ্গে তিনি ব্যাংকটির করপোরেট ফিলানথ্রোপি কার্যক্রমের প্রধান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করবেন। সামাজিক উন্নয়ন, দাতব্য কার্যক্রম ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ পরিচালনায় তার দুই দশকের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে।
নতুন দায়িত্বে কৌশলগত ভূমিকা
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড সূত্রে জানা গেছে, নতুন দায়িত্বে নালিনী তারাকেশ্বর ফাউন্ডেশনের বৈশ্বিক কৌশল নির্ধারণ, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন এবং সেগুলোর প্রভাব সম্প্রসারণে নেতৃত্ব দেবেন। বিশেষ করে তরুণদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং কর্মজীবনে প্রবেশের পথে প্রতিবন্ধকতা দূর করার মতো উদ্যোগগুলোকে এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা
এর আগে নালিনী তারাকেশ্বর ইউবিএস অপ্টিমাস ফাউন্ডেশনের ডেপুটি সিইও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। উন্নয়নমূলক প্রকল্প পরিচালনা, দাতব্য তহবিল ব্যবস্থাপনা এবং সামাজিক প্রভাবমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়নে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই অভিজ্ঞতা তাকে নতুন পদে সফল হতে সহায়তা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টির বক্তব্য
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড-এর চিফ স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড ট্যালেন্ট অফিসার এবং ফাউন্ডেশনের ট্রাস্টি তানুজ কাপিলাশ্রামী বলেন, “তরুণরা ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। আমাদের ফাউন্ডেশন ইতোমধ্যে এক লাখের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করেছে এবং সাত লাখের বেশি মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক ও অংশীদারত্ব কাজে লাগিয়ে আমরা এই প্রভাব আরও বিস্তৃত করতে চাই। এ ক্ষেত্রে নালিনী তারাকেশ্বরের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
তিনি আরও বলেন, “তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে ফাউন্ডেশন দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে এবং নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে এই উদ্যোগ আরও গতিশীল হবে।”
নালিনী তারাকেশ্বরের প্রতিক্রিয়া
নতুন দায়িত্ব নিয়ে নালিনী তারাকেশ্বর বলেন, “স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড একটি শক্তিশালী বৈশ্বিক ব্যাংক এবং এর ফাউন্ডেশন ইতোমধ্যে সুবিধাবঞ্চিত তরুণ ও নারীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। এই সাফল্যকে আরও বিস্তৃত করার সুযোগ রয়েছে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি গর্বিত।”
বৈশ্বিক যুব বেকারত্বের পরিস্থিতি
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বে যুব বেকারত্বের হার বেড়ে ১২.৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ২০২৪ সালে ছিল ১২.৩ শতাংশ। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে প্রায় ২৬ কোটি তরুণ শিক্ষা, কর্মসংস্থান বা প্রশিক্ষণের বাইরে রয়েছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ফাউন্ডেশনের উদ্যোগগুলো আরও জোরদার করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।



