কায়েশ চৌধুরী ব্যাংক এশিয়ায় ডিএমডি হিসেবে যোগ দিলেন, চট্টগ্রামের দায়িত্বে
কায়েশ চৌধুরী ব্যাংক এশিয়ার ডিএমডি ও চট্টগ্রাম জোন প্রধান

কায়েশ চৌধুরী ব্যাংক এশিয়ায় ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে যোগদান

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এসেছে। কায়েশ চৌধুরী ব্যাংক এশিয়া পিএলসিতে ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং চট্টগ্রাম জোন প্রধান হিসেবে যোগ দিয়েছেন। তার এই নতুন দায়িত্ব কার্যকর হয়েছে ২০২৬ সালের ১১ মার্চ থেকে। এই পদোন্নতি তাকে ব্যাংকিং সেক্টরে আরও উচ্চতর অবস্থানে নিয়ে গেছে।

পূর্বের কর্মজীবন ও অভিজ্ঞতা

ব্যাংক এশিয়ায় যোগদানের পূর্বে কায়েশ চৌধুরী ব্র্যাক ব্যাংকে সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং আঞ্চলিক কর্পোরেট প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি কৌশলগত নেতৃত্ব, শাসন, ক্রেডিট ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসায়িক রূপান্তরের ক্ষেত্রে ব্যাপক অভিজ্ঞতা নিয়ে আসছেন। বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগে তার কাজের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

চৌধুরীর ব্যাংকিং ক্যারিয়ার শুরু হয় ১৯৯৩ সালে ইউসিবিতে যোগদানের মাধ্যমে। এরপর তিনি ধারাবাহিকভাবে ঢাকা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, ডাচ-বাংলা ব্যাংক এবং সিটি ব্যাংকে নেতৃত্বের পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। বছরের পর বছর ধরে তিনি একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ, নৈতিক এবং অগ্রগামী ব্যাংকার হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন। কর্পোরেট, বাণিজ্যিক এবং শাখা ব্যাংকিং অপারেশনে তার গভীর বোঝাপড়া রয়েছে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পেশাদার প্রশিক্ষণ

কায়েশ চৌধুরী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাইন্যান্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়াও তিনি ক্রেডিট ঝুঁকি, নেতৃত্ব উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং এবং আর্থিক বিশ্লেষণে অসংখ্য পেশাদার প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। নিয়ন্ত্রক মানসম্মতকরণ, দল উন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিশালীকরণ এবং টেকসই বৃদ্ধির প্রতি তার অঙ্গীকারের জন্য তিনি ব্যাপকভাবে স্বীকৃত।

সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সম্পৃক্ততা

পেশাদার ক্যারিয়ারের বাইরে কায়েশ চৌধুরী একজন গায়ক, গীতিকার এবং প্রবন্ধকার। তিনি সক্রিয়ভাবে সাংস্কৃতিক ও সামাজিক উদ্যোগে জড়িত রয়েছেন। বর্তমানে তিনি ব্যাংকার্স ক্লাব চট্টগ্রামের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এই ভূমিকা তাকে সম্প্রদায়ের সাথে আরও ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত করেছে।

তার এই নতুন পদে যোগদান ব্যাংক এশিয়ার চট্টগ্রাম অঞ্চলের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে বলে আশা করা হচ্ছে। চৌধুরীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় বাজারকে আরও ভালোভাবে সেবা দিতে সক্ষম হবে। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে তার এই পদোন্নতি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।