বেনাপোল বন্দরে ১১ দিনে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি
বেনাপোল বন্দরে ১১ দিনে ৩২২০ মেট্রিক টন চাল আমদানি

বেনাপোল বন্দরে ১১ দিনে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি

দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে ১১ দিনে ২৩টি চালানের মাধ্যমে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। এই চালের চালানগুলো বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করেছে, যা বন্দর কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

আমদানির সময়সীমা ও পরিসংখ্যান

২৭ জানুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১১ দিনের এই আমদানি কার্যক্রমে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ৯ ট্রাক চাল ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে বেনাপোলে প্রবেশ করে। বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আমদানি করা চালের চালানগুলো বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

এই আমদানির আগে, গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চার মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল। চলতি মাসের ১৮ তারিখে সরকার ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে, যার সময়সীমা ৩ মার্চ পর্যন্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আমদানি করা চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে বলে নির্দেশ রয়েছে।

আমদানিকারক ও বাজার মূল্য

এই চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স। প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ বলেন, 'ভারত থেকে ১১ দিনে ৯০ ট্রাকে প্রায় ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি করেছি। প্রতি কেজি চাল বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানিতে খরচ পড়েছে ৫০ টাকা। খোলা বাজারে এই চাল প্রতি কেজি ৫১ টাকায় বিক্রি হবে'

আমদানি করা চাল বন্দর থেকে ছাড় করার জন্য সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মের্সাস ভূইয়া এন্টারপ্রাইজ কাজ করছে। এই আমদানি কার্যক্রম দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও বাজার চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে বিশেষজ্ঞরা মত প্রকাশ করেছেন।