শিক্ষার্থী পরিবহনে বৈদ্যুতিক বাস আমদানিতে সব শুল্ক-কর প্রত্যাহার
শিক্ষার্থী পরিবহনে বৈদ্যুতিক বাসে শুল্ক-কর অব্যাহতি

ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) প্রধান কার্যালয় থেকে সম্প্রতি এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। শিক্ষার্থী পরিবহনব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব করতে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক বাস আমদানিতে সব ধরনের শুল্ক ও কর তুলে নেওয়া হয়েছে।

কোন কোন কর প্রত্যাহার করা হয়েছে?

এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই সিদ্ধান্তের আওতায় কাস্টমস শুল্ক, নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, সম্পূরক শুল্ক, অগ্রিম কর এবং অগ্রিম আয়করসহ সব ধরনের শুল্ক ও কর প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলক কম খরচে পরিবেশবান্ধব আধুনিক পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শর্তাবলি

এনবিআরের আদেশ অনুযায়ী, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বা অনুরূপ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী পরিবহনের উদ্দেশ্যে বৈদ্যুতিক বাস আমদানিতে এই সুবিধা কার্যকর হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজে আমদানি করলেও কিংবা কোনো প্রতিষ্ঠান তাদের পক্ষে আমদানি করলেও এই কর অব্যাহতি–সুবিধা প্রযোজ্য হবে। তবে শর্ত হিসেবে এসব বাসের রং অবশ্যই হলুদ হতে হবে। পাশাপাশি বাসের গায়ে ‘স্কুল বাস, কলেজ বাস, শিক্ষার্থী বাস বা পরিবহন’ শব্দগুলো সহজে দৃশ্যমানভাবে স্পষ্ট করে লিখতে হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

আবেদন প্রক্রিয়া

এনবিআর জানিয়েছে, শিক্ষার্থী পরিবহনের উদ্দেশ্যে শুল্ক ও করমুক্ত বৈদ্যুতিক বাস আমদানির জন্য আবেদন করলে তা সর্বোচ্চ ১০ কার্যদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হবে। এই দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুতই আধুনিক পরিবহনব্যবস্থায় সজ্জিত হতে পারবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সুবিধা ও প্রভাব

সরকারের এই উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের যাতায়াত আরও নিরাপদ ও আরামদায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। একই সঙ্গে যানজট কমানো, জ্বালানি সাশ্রয় এবং অভিভাবকদের পরিবহন ব্যয় কমাতেও এটি সহায়ক হবে। এ ছাড়া সাধারণ যাত্রী পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক বাস আমদানিতেও শুল্ক-কর হ্রাসের বিষয়টি সরকার সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে। এটি কার্যকর হলে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমে গণপরিবহনের ব্যবহার বাড়বে, ফলে শহরের যানজট ও জ্বালানি খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।