ফিফা বিশ্বকাপে নরওয়ের ঐতিহাসিক অভিযানে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়েছে ফুটবল মাঠের বাইরেও। এবার দেশটির সেনাবাহিনীও যোগ দিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ‘ভাইকিং রো’ উদযাপনে।
সামরিক বাহিনীর অংশগ্রহণ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে নরওয়ের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যদের পূর্ণ সামরিক পোশাকে একসঙ্গে ‘ভাইকিং রো’ উদযাপন করতে দেখা যায়। তারা ভাইকিংদের ঐতিহ্যবাহী লংশিপ চালানোর ভঙ্গি অনুকরণ করে নরওয়ের সামুদ্রিক ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং জাতীয় ফুটবল দলের ঐতিহাসিক সাফল্য উদযাপন করেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, সবুজ পাহাড়ে সেনাসদস্যরা একযোগে বৈঠা চালানোর ভঙ্গি করছেন। নৌবাহিনীর সদস্যরা সামরিক জাহাজে এবং বিমানবাহিনীর সদস্যরা উড়োজাহাজ ও বিভিন্ন সামরিক স্থাপনাতেও একই উদযাপনে অংশ নেন। সামরিক পোশাক পরা সদস্যরা প্রাচীন ভাইকিং লংশিপে বৈঠা চালানোর ভঙ্গি করে একসঙ্গে স্লোগান দেন।
বিশ্বকাপের ঐতিহাসিক জয়
দেশজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা এই সমন্বিত উদযাপনকে নরওয়ের দৃঢ়তা, দলগত ঐক্য এবং ভাইকিং ঐতিহ্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় নরওয়ে। এই জয়ের পর দেশজুড়ে আবেগঘন উদযাপন শুরু হয়। সমর্থকেরা রাস্তাঘাট ও জনসমাগমস্থলে নেমে আসেন। এই জয়কে নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা মুহূর্ত হিসেবে বর্ণনা করা হচ্ছে।
খেলোয়াড়দের উদযাপন
জয়ের পর দলের তারকা স্ট্রাইকার এবং গোল্ডেন বুটের দৌড়ে থাকা এরলিং হালান্ডের নেতৃত্বে ‘ভাইকিং রো’ উদযাপনের ভিডিওও প্রকাশ করা হয়। এর আগে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে শেষ ৩২-এ ওঠার পর নিউ জার্সি স্টেডিয়ামেও খেলোয়াড় ও সমর্থকেরা ঐতিহ্যবাহী ভাইকিং স্লোগান ও ‘ভাইকিং রো’ উদযাপন করেন।



