যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির গোলে ব্রাজিল জাপানকে ২-১ হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে পৌঁছেছে। হিউস্টনের স্টেডিয়ামে ৬৮ হাজার ৭৭৭ দর্শকের সামনে এই নাটকীয় জয় নিশ্চিত করে ব্রাজিল।
প্রথমার্ধে হতাশাজনক ব্রাজিল
প্রথমার্ধে ব্রাজিলের খেলা ছিল হতাশাজনক। দখলে এগিয়ে থাকলেও জাপানের শৃঙ্খল ডিফেন্সের সামনে তারা দিশেহারা হয়ে পড়ে। মাতেউস কুনিয়ার একটি শট ছাড়া তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য আক্রমণ করতে পারেনি তারা। বরং নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও ট্যাকেলের মতো ঘটনাও দেখা যায়।
জাপানের গোল
২৯ মিনিটে দানিলোর বল হারানোর সুযোগ কাজে লাগিয়ে কাইশু সানো ২০ গজ দূর থেকে শট নিয়ে জাপানকে এগিয়ে দেন। এটি ছিল জাতীয় দলের হয়ে সানোর প্রথম গোল।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্রাজিলের প্রত্যাবর্তন
দ্বিতীয়ার্ধে কোচ কার্লো আনচেলত্তি এনদ্রিককে মাঠে নামান। ৫৪ মিনিটে কাসেমিরোর হেড গোললাইন ক্রস করেনি, কিন্তু দুই মিনিট পর মার্তিনেল্লির ক্রস থেকে কাসেমিরো হেড করে ব্রাজিলকে সমতায় আনেন। ৩৪ বছর ১২৬ দিন বয়সে এই গোল করে কাসেমিরো ১৯৯৮ সালে বেবেতোর পর বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করা ব্রাজিলিয়ান হন।
মার্তিনেল্লির নায়কোচিত গোল
ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের একটি শট সুজুকি পোস্টে ঠেকিয়ে দেন। ম্যাচের শেষ দশ মিনিটে ব্রাজিল চাপ বাড়ায়। যোগ করা সময়ের ষষ্ঠ মিনিটে রায়ানের বল জিতে গিমারাইস মার্তিনেল্লিকে পাস দেন এবং তিনি ডান পোস্টের ভেতর দিক দিয়ে জালে বল পাঠান। এই গোলেই ব্রাজিল জয় নিশ্চিত করে।
পরবর্তী প্রতিপক্ষ
ব্রাজিল এখন শেষ ষোলোতে আইভরি কোস্ট বা নরওয়ের মুখোমুখি হবে। তবে প্রথমার্ধের ছত্রভঙ্গ ও দ্বিতীয়ার্ধের জেগে ওঠা ব্রাজিল—দুটোকে এক করতে হবে দলকে।



