ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচে মিসরের সঙ্গে ইরানের লড়াই ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। সিয়াটলে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় ইরানের একটি গোল ভিএআরে বাতিল হয়।
ম্যাচের শুরুতে মিসরের গোল
ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে ইরান। মিসরের তারকা ফরোয়ার্ড মোহাম্মদ সালাহর বাম পায়ের কারুকাজ থেকে তৈরি সুযোগে মাহমুদ সাবেরের শট ইরানের গোলরক্ষক আলীরেজা বেইরানভান্দের হাত ফসকে জালে জড়ায়। তবে ইরান দ্রুতই ঘুরে দাঁড়ায়।
রেজাইয়ানের দারুণ গোলে সমতা
১৪ মিনিটে রামিন রেজাইয়ান দারুণ এক গোলে ইরানকে সমতায় ফেরান। এর আগে মেহদি তারেমি পেনাল্টি আদায় করলেও মিসরের গোলরক্ষক মোস্তফা শোবের তা ঠেকিয়ে দেন। এরপর ম্যাচ কিছুটা অগোছালো হয়ে যায়, দুই দলই মাঝমাঠে লড়াইয়ে ব্যস্ত থাকে। মিসর ইতিমধ্যেই নকআউট নিশ্চিত করে ফেলায় সংযত খেলে, আর ইরান ধীরে ধীরে আক্রমণ বাড়ায়।
শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তা ও ভিএআর
যোগ করা সময়ে প্রথমে তারেমির হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। এরপর ৯৩ মিনিটে শোজায়ে খলিলজাদেহ বক্সের ভেতর পিনবলের মতো লেগে থাকা বল জালে পাঠান। স্টেডিয়ামে উল্লাস শুরু হয়, কিন্তু ভিএআর ডাকলে দেখা যায়, তিনি খুব সামান্য ব্যবধানে অফসাইড। মিলিমিটারের ফারাকে গোল বাতিল হয়। ইরানের স্বপ্ন ভেঙে যায়।
গ্রুপ পরিস্থিতি ও ইরানের সম্ভাবনা
এই ড্রয়ের ফলে মিসর ৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপে দ্বিতীয় হয়ে নকআউটে উঠেছে। ইরান ৩ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে। নকআউটে যেতে ইরানকে নির্ভর করতে হবে অন্যান্য ম্যাচের ফলাফলের ওপর। তাদের শর্তগুলো হলো: ১. আলজেরিয়া-অস্ট্রিয়া ড্র, ২. ডিআর কঙ্গোর কাছে উজবেকিস্তানের হার, ৩. ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ঘানার অন্তত এক পয়েন্ট অর্জন। সবকিছু অনুকূলে থাকলেই ইরান বেঁচে যাবে।



