জাপানের বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের জয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল। নাটকীয় এই জয়ের পর উচ্ছ্বাসে ভাসলেও ডাগআউটে ছিলেন শান্ত কার্লো আনচেলত্তি। ম্যাচ শেষে তিনি বলেছেন, তার দল সঠিক পথেই আছে।
আনচেলত্তির আত্মবিশ্বাস
হিউস্টনে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে ৬৭ বছর বয়সী কোচ বলেন, ‘না, আমি খুব বেশি ভুগিনি। দলের ওপর আমার আত্মবিশ্বাস ছিল। আমরা ভালো খেলছিলাম। গোলের পর অবশ্য প্রতিপক্ষের শক্তির কারণে কিছু কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। জাপান খুবই সংগঠিত ও বিপজ্জনক দল। তাদের খেলোয়াড়রা শারীরিকভাবে শক্তিশালী। তবু আমার দল ভালো খেলেছে।’
কাসেমিরোর ভূমিকা
ম্যাচে ব্রাজিলের হয়ে সমতাসূচক গোল করেন কাসেমিরো। প্রথমার্ধেই তিনি গোলের সুযোগ তৈরি করেছিলেন। এই মিডফিল্ডারের প্রশংসা করে আনচেলত্তি বলেন, ‘কাসেমিরো একজন নেতা। তার জায়গায় খেলার মতো আর কেউ নেই। সে দলের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। প্রিমিয়ার লিগেও সে এমন গোল করেছে। গোল করার সঙ্গে তার দারুণ একটা সংযোগ রয়েছে।’ জাপানের গোলের জন্য কাসেমিরোকে দায়ী করতে রাজি নন ব্রাজিল কোচ। তিনি বলেন, ‘আমি বিরতিতে তার সঙ্গে কথা বলিনি, কারণ সে ভালোই খেলছিল। ফুটবলে ভুল হতেই পারে। তবে আমার মনে হয় না, জাপানের গোলটি কাসেমিরোর ভুলের কারণে হয়েছে। আমরা আক্রমণ গড়ার সময় বিল্ড-আপে ব্যর্থ হয়েছিলাম। কাসেমিরো দুর্দান্ত খেলেছে এবং সমতাসূচক গোলের মূল কারিগরও সে।’
ব্রুনো গিমারায়েসের প্রশংসা
মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারায়েসেরও ভূয়সী প্রশংসা করেন আনচেলত্তি। তার ভাষায়, ‘ব্রুনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন খেলোয়াড়। রক্ষণ ও আক্রমণ—দুই জায়গাতেই সে ধারাবাহিকভাবে অবদান রাখে। মার্তিনেল্লির গোলেও সে অসাধারণ অ্যাসিস্ট করেছে। আমি তার জন্য খুবই খুশি।’
পরবর্তী প্রতিপক্ষ
শেষ ষোলোতে আইভরি কোস্ট ও নরওয়ের মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ীর মুখোমুখি হবে ব্রাজিল। সেই ম্যাচের আগে আনচেলত্তি বললেন, ‘আমরা শক্তিশালী, আত্মবিশ্বাসী এবং জানি আমরা সঠিক পথেই আছি। আমাদের আরও উন্নতি করতে হবে, কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে। একইসঙ্গে বিশ্রামও গুরুত্বপূর্ণ। এখন দেখি, পরের প্রতিপক্ষ কে হয়। দল অতিরিক্ত সময় খেলতেও প্রস্তুত ছিল।’



