৪০ বছর বয়সী ভোজিনিয়ার কান্না, বিশ্বকাপে মাকে পাশে পাননি
৪০ বছর বয়সী ভোজিনিয়ার কান্না, বিশ্বকাপে মাকে পাশে পাননি

২০২৬ বিশ্বকাপে স্পেনের মতো ফেবারিট দলকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়েছে কেপ ভার্দে। এই ড্রয়ের অন্যতম নায়ক হলেন দলের ৪০ বছর বয়সী গোলকিপার ভোজিনিয়া। পুরো ফুটবল বিশ্ব এখন তার প্রশংসায় মাতোয়ারা। তবে মিক্সড জোনে দাঁড়িয়ে কাঁদছিলেন এই গোলরক্ষক। জীবনের সবচেয়ে বড় রূপকথা লেখার রাতে গ্যালারিতে তিনি পাশে পাননি তার মাকে।

ভোজিনিয়ার অসাধারণ পারফরম্যান্স

পর্তুগিজ দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব চাভেসের হয়ে খেলা ভোজিনিয়া পুরো ম্যাচে পেদ্রি, রদ্রি ও লাপোর্তের মতো তারকাদের ৭টি নিশ্চিত গোল ঠেকিয়ে দেন। ৪০ বছর ১২ দিন বয়সে দেশের হয়ে প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচে মাঠে নেমে সবচেয়ে বয়স্ক খেলোয়াড়ের কীর্তি গড়ার পাশাপাশি তিনি ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতে নেন।

পরিবারের কথা ভেবে কান্না

অথচ এমন অর্জনের পর ভোজিনিয়া স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন তার শৈশব আর পরিবারের কথা ভেবে। তিনি বলেন, “আমি কেঁদেছিলাম কারণ আমি আমার দাদা-দাদীর কাছে বড় হয়েছি। দুর্ভাগ্যবশত আজকের এই দিনে তারা এখানে নেই। কয়েক বছর আগে তারা মারা গেছেন। তারাই ছিলেন আমার সব, আমার জীবনের সবকিছু। আর (কেঁদেছি) আমার মায়ের কারণে। ভিসার কারণে তিনি এখানে আসতে পারেননি। ভিসার জন্য যে টাকা দিতে হয়, সেটার কারণে আমরা সময়মতো গুছিয়ে উঠতে পারিনি। আমি চেয়েছিলাম তিনি এখানে থাকুন।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

কঠিন পথচলা

ভোজিনিয়ার এই সাফল্যে পৌঁছানোর পথটাও ছিল ভীষণ কণ্টকাকীর্ণ। কেপ ভার্দের মিন্দেলো দ্বীপে বড় হওয়ার সময় স্রেফ উচ্চতা কম হওয়ার কারণে ভালো পারফর্ম করেও বারবার দল থেকে বাদ পড়েছেন। ২৫ বছর বয়সে বেশ দেরিতে পেশাদার ক্যারিয়ার শুরু করা এই গোলরক্ষক একসময় হতাশ হয়ে ফুটবল ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছিলেন। কিন্তু বিশ্বকাপের স্বপ্নটাই তাকে আজ ইতিহাসের পাতায় এনে দাঁড় করিয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ