দ্বিতীয় দিন শেষে মিরপুর টেস্টের নিয়ন্ত্রণ ছিল পাকিস্তানের হাতে। তবে তৃতীয় দিনে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। ৩৪ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেছে টাইগাররা। হাতে আছে পুরো ১০ উইকেট।
প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ
নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে মেহেদী হাসান মিরাজের ফাইফারে ৩৮৬ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। ২৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১.৫ ওভার খেলতে পেরেছেন দুই ওপেনার মাহমুদুল জয় ও সাদমান ইসলাম। আলোক–স্বল্পতায় নির্ধারিত সময়ের আগেই তৃতীয় দিনের খেলা শেষ করে দেন আম্পায়াররা। ১ ওভার ৫ বলে বিনা উইকেটে ৭ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। ২ রানে অপরাজিত আছেন জয়। আর রানের খাতা খুলতে পারেননি সাদমান।
পাকিস্তানের ইনিংস
এর আগে ১ উইকেটে ১৭৯ রান নিয়ে মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিল পাকিস্তান। রোববার (১০ মে) তৃতীয় দিনে ১৫৩ বলে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম ইনিংসেই সেঞ্চুরি করেন ২১ বছর বয়সী আজান। তবে আজানকে আর আগাতে দেননি তাসকিন। ১৬৫ বলে ১৪টি চারের সাহায্যে ১০৩ রান করেন তিনি। ১০১ বলে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি পূর্ণ করেছেন আরেকপ্রান্তে থাকা অপর অভিষিক্ত ব্যাটার আব্দুল্লাহ ফজলও।
মিরাজের ঘূর্ণি জাদু
পরের ওভারে আক্রমণে এসে নবাগত ব্যাটার সৌদ শাকিলকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেছেন মিরাজ। রিভিউ নিলেও বাঁচতে পারেননি রানের তিনি। রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরে যান শাকিল। ৬০ রান করে সাজঘরের পথ ধরেন ফজল। মিরাজকে মিড অনে উড়িয়ে মারতে গিয়ে তাইজুল ইসলামের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন তিনি। এরপর সালমান আঘাকে নিয়ে প্রতিরোধ গড়েন মোহাম্মদ রিজওয়ান। ১১৯ রানের জুটি গড়েন তারা।
দলীয় ৩৪৯ রানে আউট হন রিজওয়ান। ৮ চারে ৭৯ বলে ৫৯ রান করে সাজঘরে ফিরে যান এই ব্যাটার। এরপরই হানা দেয় বৃষ্টি। এতে বেশ কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে। বৃষ্টির পর খেলা শুরু হলে টিকতে পারেননি সালমান। ৫৮ রান করে নাহিদ রানার বলে স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা শান্তকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। তার বিদায়ের পর আর তেমন কেউ দাঁড়াতে পারেনি।
এতে ৩৮৬ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। ১০২ রান খরচায় ৫ উইকেট নেন মিরাজ। এছাড়া তাসকিন ও তাইজুল নেন ২টি করে উইকেট।



