শনিবার রাতে মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) ইন্টার মিয়ামি ৪-২ গোলে টরন্টো এফসিকে হারিয়েছে। এই জয়ের নায়ক লিওনেল মেসি, যিনি একটি গোল ও দুইটি অ্যাসিস্ট করেছেন। তবে শুধু জয়ই নয়, এই ম্যাচে মেসি এমএলএসের ইতিহাসে দ্রুততম সময়ে ১০০টি গোলে অবদান রাখার কীর্তি গড়েছেন।
দ্রুততম সেঞ্চুরি
৩৮ বছর বয়সী আর্জেন্টাইন তারকা ২০২৩ সালে পিএসজি থেকে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দেওয়ার পর মাত্র ৬৪টি নিয়মিত মৌসুমের ম্যাচে ৫৯ গোল ও ৪১ অ্যাসিস্ট করেছেন। এই ১০০ গোলের অবদান (গোল+অ্যাসিস্ট) এমএলএসের ইতিহাসে সবচেয়ে কম ম্যাচে পূর্ণ করার রেকর্ড। আগের রেকর্ডটি ছিল সেবাস্তিয়ান জিওভিনকোর, যার ১০০ গোলের অবদান পেতে লেগেছিল ৯৫ ম্যাচ। মেসি তার চেয়ে ৩১ ম্যাচ কম খেলে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন, যা প্রায় একটি পূর্ণ এমএলএস নিয়মিত মৌসুমের সমান।
বিতর্কিত জয়
মিয়ামির জয়টি অবশ্য বিতর্কমুক্ত ছিল না। মেসির একটি অ্যাসিস্ট থেকে লুইস সুয়ারেজ গোল করে স্কোর ২-০ করেন। কিন্তু ওই সময় টরন্টোর এক ডিফেন্ডার মাঠে আহত অবস্থায় পড়ে ছিলেন। তার কারণেই সুয়ারেজ অফসাইডের ফাঁদ এড়িয়ে গোল করতে পারেন, যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।
মেসির গোল
অবশ্য মেসি নিজে যে গোলটি করেছেন, তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই। মিডফিল্ড থেকে একক ড্রিবলে তিনি পেনাল্টি এরিয়ার কিনারায় রদ্রিগো দে পলকে বল দেন। এরপর নিজে দৌড়ে সামনে যান এবং বল ফিরে পেয়ে তার বিখ্যাত বাম পায়ে জাল কাঁপান।
অন্যান্য রেকর্ড
এই মাইলফলক ছোঁয়ার পথে মেসি সাবেক এলএ গ্যালাক্সি তারকা রবি কিন, এলএএফসির কার্লোস ভেলা এবং হোসে মার্তিনেজকেও ছাড়িয়ে গেছেন। মজার ব্যাপার হলো, তিনি এই রেকর্ড গড়েছেন বিএমও স্টেডিয়ামে, যেটি জিওভিনকোর সাবেক ক্লাব টরন্টো এফসির মাঠ। সেই মাঠেই জিওভিনকোর রেকর্ড ভাঙলেন মেসি।
দলের অবস্থান
এই জয়ে ইন্টার মিয়ামি ইস্টার্ন কনফারেন্সে দ্বিতীয় স্থানে রইল। তবে দলটি ঘরের মাঠে এখনও জয়ের মুখ দেখেনি। এপ্রিলে চালু হওয়া নতুন স্টেডিয়ামে এখনও কোনো জয় নেই। ঘরে ফেরার আগে মিয়ামি মাঝসপ্তাহে ওহাইওতে এফসি সিনসিনাটির মুখোমুখি হবে।



