মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের অবস্থান মোটেও স্বস্তিদায়ক নয়। পাকিস্তানের দুই ওপেনার ইমাম-উল-হক ও আজান আওয়াইসের উদ্বোধনী জুটি ভাঙলেও, পরে আজান ও আবদুল্লাহ ফজলের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে পাকিস্তান দিন শেষ করে ১৭৯ রানে। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রান করলেও, পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে চাপ তৈরি করতে পারেনি।
বাংলাদেশের ব্যাটিং: মুশফিকের ফিফটি, তাসকিনের ঝড়
বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেনের লক্ষ্য পূরণ করে প্রথম ইনিংসে ৪১৩ রান। তবে মুশফিকুর রহিম তার জন্মদিনে সেঞ্চুরি করতে পারেননি, থেমেছেন ৭১ রানে। লিটন দাস ৩৩ রান করে আউট হন। তাসকিন আহমেদের ১৯ বলে ২৮ রানের ঝড়ো ইনিংসে বাংলাদেশ চারশো রান পার করে। শেষ উইকেটে নাহিদ রানার সঙ্গে তাসকিনের ২৯ রানের জুটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
পাকিস্তানের ব্যাটিং: আজানের দৃঢ়তা
পাকিস্তানের ওপেনার আজান আওয়াইস নাহিদ রানার বাউন্সারে হেলমেটে আঘাত পেয়েও কনকাশন টেস্টে বিপদমুক্ত হন। তিনি দিন শেষে অপরাজিত ৮৫ রানে। ইমাম-উল-হক মেহেদী হাসান মিরাজের বলে এলবিডব্লু হলে উদ্বোধনী জুটি ভাঙে। পরে আবদুল্লাহ ফজলের (৩৭*) সঙ্গে ৭৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন আজান। বাংলাদেশের তাসকিন আহমেদের বলে সাদমান ইসলামের হাতে ফজলের ক্যাচ গেলে দিনের শেষটা ভিন্ন হতে পারত।
বাংলাদেশের বোলিং: চাপ তৈরি করতে ব্যর্থ
বাংলাদেশের বোলাররা পাকিস্তানের ব্যাটিংকে চাপে ফেলতে পারেননি। নাহিদ রানা প্রথম ওভারেই বাউন্সার দিয়ে আজানকে কনকাশনে ফেললেও, পরে আর তেমন সাফল্য পাননি। মিরাজ ইমাম-উল-হককে এলবিডব্লু করে একমাত্র উইকেটটি এনে দেন। তাসকিন আহমেদের এক ক্যাচ হাতছাড়া হলে বাংলাদেশের অবস্থা আরও কঠিন হয়।
ম্যাচের বর্তমান অবস্থা
বাংলাদেশ ৪১৩ রান করে পাকিস্তানকে ২৩৪ রানে এগিয়ে রেখেছে। পাকিস্তানের হাতে ৭ উইকেট বাকি। তৃতীয় দিনে পাকিস্তান লিড বাড়াতে চাইবে, আর বাংলাদেশ দ্রুত উইকেট তুলে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করবে।



