ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শুরু হলো ৪০ বছরের ঐতিহ্যের বৈশাখী মেলা ও উৎসব
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শুরু হলো ৪০ বছরের বৈশাখী মেলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শুরু হলো ৪০ বছরের ঐতিহ্যের বৈশাখী মেলা ও উৎসব

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাহিত্য একাডেমির উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী বৈশাখী মেলা ও উৎসবের সূচনা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় শহরের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মেলার উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ

সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন আশরাফের সঞ্চালনায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সফিকুল ইসলাম, আনিসুর রহমান মঞ্জু, যুগ্ম সম্পাদক আলী আজম, মাইনুল হোসেন চপল, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান এবং বৈশাখী উৎসব উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক এস এম শাহীন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

মেলার বৈশিষ্ট্য ও আয়োজন

সাহিত্য একাডেমির উদ্যোগে ৪০ বছরের ধারাবাহিকতায় আয়োজিত এই মেলায় প্রতিদিন থাকছে গান, নৃত্য, আবৃত্তি, কবি সম্মেলন, আলোচনা, পুস্তক প্রদর্শনী ও লেখক আড্ডার মতো সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড। মেলা উপলক্ষে শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে প্রায় ২৫টি স্টল বসানো হয়েছে, যেখানে স্থানীয় শিল্প ও পণ্যের প্রদর্শনী চলছে।

এছাড়া শিশুদের জন্য নাগরদোলাসহ নানা বিনোদনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে, যা পরিবারবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি করছে।

সংগঠক ও অতিথিদের বক্তব্য

সাহিত্য একাডেমির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন আশরাফ বলেন, "দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী মেলা ও উৎসব আয়োজন করে আসছে। এ মেলাকে কেন্দ্র করে লোকজ সংস্কৃতির সমাহার ঘটে এবং প্রতিদিন শত শত মানুষ এখানে ভিড় করেন, যা আমাদের ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করছে।"

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রধান অতিথি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল তার বক্তব্যে বলেন, "গণতান্ত্রিক পরিবেশে দেশের মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করছে, যা জাতীয় ঐক্য ও সম্প্রীতির প্রতীক।" তিনি দেশবাসীর কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

এই মেলা স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে লালন করার পাশাপাশি বাংলা নববর্ষের আনন্দ ছড়িয়ে দিচ্ছে ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর মধ্যে।