মেট্রোরেলের নিচে আটকে গেল বৈশাখী শোভাযাত্রার চারটি মোটিফ
নববর্ষের উৎসবকে স্বাগত জানাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ থেকে বের হওয়া বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা আজ একটি অপ্রত্যাশিত বাধার সম্মুখীন হয়েছে। শোভাযাত্রার পাঁচটি মোটিফের মধ্যে চারটিই মেট্রোরেলের স্থাপনার নিচে আটকে যায় উচ্চতার কারণে, যা উৎসবের মেজাজে কিছুটা ছেদ এনেছে।
শোভাযাত্রার সূচনা ও নেতৃত্ব
আজ সকাল ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে এই শোভাযাত্রাটি শুরু হয়। এতে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন, যা অনুষ্ঠানের গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তোলে। শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের উত্তর গেট থেকে যাত্রা শুরু করে শাহবাগ থানার সামনে গিয়ে ঘুরে আসার পরিকল্পনা ছিল।
মেট্রোরেল অঞ্চলে বাধার মুখে
তবে শোভাযাত্রাটি যখন মেট্রোরেল অঞ্চলে প্রবেশ করে, তখনই উচ্চতার সমস্যার কারণে বিপত্তি দেখা দেয়। মেট্রোরেলের নিচের দিকে আটকে যায় চারটি মোটিফ, যেগুলো হলো:
- মোরগ
- শান্তির পায়রা
- বেহালা
- টেপা ঘোড়া
প্রথম তিনটি মোটিফ শেষ পর্যন্ত পার হয়ে গেলেও, টেপা ঘোড়ার মোটিফটি আর পার হতে পারেনি। ফলে সেখান থেকেই ইউটার্ন নিয়ে ফিরতে হয় শোভাযাত্রাকে। এই ঘটনাটি ঘটে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে।
ঘটনার প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া
এই ঘটনাটি শোভাযাত্রার গতিপথে একটি তাৎক্ষণিক বাধা সৃষ্টি করলেও, অংশগ্রহণকারীরা দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করেন। এটি শহরের অবকাঠামোর সাথে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সমন্বয়ের গুরুত্বকে তুলে ধরে। মেট্রোরেলের মতো আধুনিক স্থাপনা এবং ঐতিহ্যবাহী উৎসবের মধ্যে এই ধরনের সংঘাত ভবিষ্যতে আরও ভালো পরিকল্পনার আহ্বান জানাচ্ছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রতি বছর নববর্ষে এই শোভাযাত্রার আয়োজন করে থাকে, যা বাংলা সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এবারের ঘটনা সত্ত্বেও, শোভাযাত্রাটি তার রঙিন ও প্রাণবন্ত উপস্থিতি দিয়ে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে।



