দীর্ঘ বিরতি শেষে ঢাকায় ফিরছে গ্রামীণ খেলার বৈশাখী উৎসব
২০০৬ সালে ঢাকায় প্রথমবারের মতো গ্রামীণ খেলা নিয়ে বৈশাখী উৎসব আয়োজিত হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ বিরতি কাটিয়ে আবারও ফিরছে সেই ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলার আয়োজন। আগামী ১৪ এপ্রিল, পহেলা বৈশাখে ঢাকার পল্টন ময়দানে দিনব্যাপী এই উৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
১০টি ডিসিপ্লিনে গ্রামীণ খেলার প্রদর্শনী
কিউট বৈশাখী ক্রীড়া উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত রবিবারের সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে যে, এই উৎসবে দেশের ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাধুলা ও সংস্কৃতির বিভিন্ন আয়োজন থাকবে। মোট ১০টি ডিসিপ্লিন নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে আর্চারি, কাবাডি, ভলিবল, প্যারা ইভেন্ট, সেপাক টাকরো, খো খো, কান্ট্রি গেমস, লাঠি খেলা, বলি খেলা ও কুস্তি।
আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যানের বক্তব্য
সংবাদ সম্মেলনে আয়োজক কমিটির চেয়ারম্যান কাজী রাজীব উদ্দিন আহমেদ চপল বলেন, 'আমরা দীর্ঘদিন পর পহেলা বৈশাখে ক্রীড়া উৎসব করতে যাচ্ছি। গ্রামীণ খেলা যেন হারিয়ে না যায় তার জন্যই এমন আয়োজন। ২০০৬ সালে একবার এটা হয়েছিল। অনেক দিন পর আবারও হচ্ছে। সামনের দিকে হয়তো সরকারের সহযোগিতা নিয়ে আরও বড় করে হবে। নববর্ষের দিন আমরা চাই গ্রামীণ খেলার পাশাপাশি এই অঞ্চল নানান অনুষ্ঠানের মাধ্যমে মুখরিত হোক।'
৩০০ অংশগ্রহণকারী ও লিঙ্গ সমতা
এই উৎসবে প্রায় ৩০০ খেলোয়াড় ও কর্মকর্তা অংশ নিতে যাচ্ছেন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েরাও এই খেলাগুলোতে অংশগ্রহণ করবে, যা লিঙ্গ সমতাকে উৎসাহিত করছে।
এই আয়োজন শুধুমাত্র খেলাধুলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ এবং প্রচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। আশা করা যায়, ভবিষ্যতে সরকারি সহযোগিতা পেলে এই উৎসব আরও ব্যাপক আকারে অনুষ্ঠিত হবে এবং দেশের গ্রামীণ খেলাধুলার প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়াবে।



