খুলনায় গণহত্যা দিবস পালন: পাকিস্তানি বাহিনীর 'কালরাত' স্মরণে এক মিনিট নীরবতা
খুলনায় গণহত্যা দিবস পালন, 'কালরাত' স্মরণে নীরবতা

খুলনায় গণহত্যা দিবস পালন: পাকিস্তানি বাহিনীর 'কালরাত' স্মরণে এক মিনিট নীরবতা

খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বুধবার সকালে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা প্রশাসক এএসএম জামশেদ খন্দকারের সভাপতিত্বে এই সভায় ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর গণহত্যার শিকার শহীদদের স্মরণে শুরুতে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

জেলা প্রশাসকের বক্তব্য: গণহত্যার বিচার ও দেশপ্রেমের আহ্বান

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা প্রশাসক এএসএম জামশেদ খন্দকার বলেন, ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী ঢাকাসহ সারাদেশে নিরস্ত্র বাঙালিদের নির্মূল করার লক্ষ্যে গণহত্যা চালিয়েছিল, যা 'কালরাত' হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে। তিনি উল্লেখ করেন যে গণহত্যার অপরাধীরা কখনোই বিচার থেকে রেহাই পায় না এবং শেষ পর্যন্ত তাদের পরাজয় অবশ্যম্ভাবী।

তিনি আরও বলেন, মাতৃভূমির জন্য আত্মত্যাগকারীরা শহীদত্বের সর্বোচ্চ সম্মান অর্জন করেন। তিনি দেশপ্রেম, মানবতা ও সেবার চেতনা নিয়ে সকলকে নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অন্যান্য বক্তাদের অংশগ্রহণ ও উপস্থিতি

অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (জেনারেল) বিতান কুমার মন্ডল, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট (ডিএসবি) শেখ ইমরান, মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ও মোঃ নজরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা বক্তব্য রাখেন। বিভিন্ন সরকারি বিভাগের কর্মকর্তারা এই সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এই আলোচনা সভার মাধ্যমে ১৯৭১ সালের গণহত্যার শিকার শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেমের চেতনা জাগ্রত করার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এই আয়োজনটি স্থানীয়ভাবে গণহত্যা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ