সাতক্ষীরার ২০ গ্রামে সৌদির সঙ্গে মিল রাখে ঈদুল ফিতর উদযাপন
সাতক্ষীরার ২০ গ্রামে সৌদির সঙ্গে মিলে ঈদ উদযাপন

সাতক্ষীরার ২০ গ্রামে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদুল ফিতর উদযাপন

সাতক্ষীরা জেলার প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষ সৌদি আরবের সময়ের সঙ্গে মিল রেখে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। আজ শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, সকাল ৮টায় সদর উপজেলার কুশখালী বাউকোলা এলাকায় তারা ঈদের নামাজ আদায় করেন।

কুশখালী বাউকোলা মসজিদে প্রধান জামাত

কুশখালী বাউকোলা মসজিদে প্রধান ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইমামতি করেন মওলানা মহব্বত আলী। এই জামাতে ইসলামকাটি, গোয়ালচত্বর, ভোঁদড়া, ঘোনা, ভাড়খালী, মিরগিডাঙ্গা ও পাইকগাছাসহ আশপাশের অন্তত ২০টি গ্রামের মুসল্লিরা অংশ নেন।

খুতবায় মওলানা মাহবুবুর রহমানের বক্তব্য

নামাজ শেষে খুতবায় মওলানা মাহবুবুর রহমান বলেন, "পবিত্র শাওয়াল মাসের প্রথম দিনে আমরা ঈদের নামাজ আদায় করেছি। আমরা একদিন আগে থেকেই রোজা শুরু করেছি। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার মুসল্লিদের উপস্থিতি অনেক বেশি ছিল।" তিনি আরও বলেন, "ভবিষ্যতে যেন সবাই একসঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারে, সে জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাই।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এক যুগ ধরে সৌদির সময় অনুসরণ

মুসল্লিদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা গত এক যুগ ধরে সৌদি আরবের সময় অনুসরণ করে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপন করে আসছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবারও নির্ধারিত সময়ের একদিন আগে তারা ঈদ উদযাপন করেন। এই প্রথা স্থানীয়ভাবে একটি ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে, যা সম্প্রদায়ের মধ্যে ঐক্য ও ধর্মীয় অনুভূতি জাগিয়ে তুলছে।

ঈদ উদযাপনের গুরুত্ব ও প্রভাব

এই উদযাপন শুধুমাত্র ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, বরং এটি সামাজিক সংহতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়েরও প্রতিফলন। সাতক্ষীরার এই গ্রামগুলোতে ঈদের আনন্দ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া হয়, এবং স্থানীয় বাজার ও অন্যান্য কার্যক্রমে উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যায়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ