ঈদুল ফিতরে ৭ দিনের ছুটি শুরু, জরুরি সেবার কর্মীরা বাদ
ঈদে ৭ দিন ছুটি, জরুরি সেবার কর্মীরা বাদ

ঈদুল ফিতরে দীর্ঘ ছুটির আমেজ, জরুরি সেবার কর্মীরা রয়েছেন দায়িত্বে

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশে শুরু হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ। মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬ থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা টানা সাত দিনের দীর্ঘ ছুটি উপভোগ করছেন। এই ছুটি ২৩ মার্চ পর্যন্ত চলবে, যা ঈদের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

ছুটির বিস্তারিত সময়সূচি

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আগেই ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পাঁচ দিনের ছুটি নির্ধারণ করেছিল। তবে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ১৮ মার্চও ছুটি হিসেবে যুক্ত করা হয়। পাশাপাশি, ১৭ মার্চ শবে কদরের ছুটির সঙ্গে মিলিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মোট সাত দিনের অবকাশ পেয়েছেন। ঈদের দিন ২১ মার্চ সাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য হচ্ছে, আর বাকি দিনগুলো নির্বাহী আদেশে অতিরিক্ত ছুটি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

যারা ছুটি পাচ্ছেন না

এই দীর্ঘ ছুটির আনন্দ সবার জন্য সমান নয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জরুরি সেবা চালু রাখতে বেশ কিছু খাতের কর্মীরা ছুটির বাইরে রয়েছেন। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীরা
  • ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম ও পরিচ্ছন্নতা বিভাগের সদস্যরা
  • টেলিফোন, ইন্টারনেট সেবা এবং ডাক বিভাগের কর্মচারীবৃন্দ

স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে হাসপাতাল, জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্যও এই ছুটি প্রযোজ্য হবে না। ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও দায়িত্বে থাকবেন।

অন্যান্য খাতের অবস্থা

জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য জরুরি খাতের অফিসগুলো চালু থাকবে। ব্যাংকিং খাতের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে, আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্ট জানাবে। বেসরকারি শিল্প-কারখানা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় শ্রম আইন অনুযায়ী নির্দেশনা প্রদান করবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

গণমাধ্যমের জন্য ছুটি

এদিকে, ঈদ উপলক্ষে গণমাধ্যমকর্মীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াব দেশের গণমাধ্যমের জন্য পাঁচ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে। এটি গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

সর্বোপরি, এই ঈদে সরকারি কর্মচারীদের দীর্ঘ ছুটি নাগরিকদের মধ্যে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে দিলেও, জরুরি সেবার কর্মীরা তাদের নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখছেন।