ঢাকেশ্বরী মন্দিরে হোলি উৎসব: রঙের ছোঁয়ায় ভরে উঠেছিল প্রাঙ্গণ
রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির প্রাঙ্গণে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সকাল থেকেই শুরু হয়েছিল হোলি উৎসবের প্রস্তুতি। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মেতে উঠেছিলেন এই ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে। ভক্তদের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে ওঠে মন্দিরের চত্বর, যেখানে রঙের মেলা দেখতে পাওয়া গিয়েছিল।
রঙিন আবিরে শুভেচ্ছা বিনিময়
উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল একে অপরকে রঙিন আবির মাখানো। ভক্তরা পরিবার, বন্ধু এবং অপরিচিতদের সঙ্গে রঙের খেলায় মেতে উঠেন, যা সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের বার্তা বহন করে। পুরো প্রাঙ্গণ রঙের উচ্ছ্বাসে ভরে উঠেছিল, বসন্তের আবহাওয়ায় যা যোগ করেছিল বাড়তি প্রাণচাঞ্চল্য।
সঙ্গীত ও নৃত্যে মাতোয়ারা ভক্তরা
ঢোল-করতালের তালে তালে গান-বাজনা চলতে থাকে সারাদিন। নারী-পুরুষ, শিশু-কিশোরসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ এই সাংস্কৃতিক আয়োজনে অংশ নেন। অনেকে পরিবার-পরিজন নিয়ে এসে উৎসবে যোগ দেন, যা এটিকে একটি সার্বজনীন আনন্দোৎসবে পরিণত করে। প্রার্থনা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হলেও, ধীরে ধীরে তা রূপ নেয় সর্বজনীন উৎসবে।
হোলি: সম্প্রীতি ও ভালোবাসার বার্তা
হোলি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান উৎসব হিসেবে পরিচিত, যা প্রতিবছর সম্প্রীতি, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধের বার্তা নিয়ে উদযাপিত হয়। এবারও ঢাকেশ্বরী মন্দিরে তার ব্যতিক্রম হয়নি, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে অংশ নিয়েছেন। এই আয়োজন শুধু ধর্মীয় নয়, সামাজিক সম্প্রীতিরও একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছিল।
