নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত ও পিঠা উৎসব ১৪৩২ উদযাপন
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত ও পিঠা উৎসব উদযাপন

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে বসন্ত ও পিঠা উৎসব ১৪৩২ উদযাপন

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) গত মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে, গান, আবৃত্তি, নাচ ও বিভিন্ন পদের পিঠা দিয়ে ‘বসন্ত ও পিঠা উৎসব ১৪৩২’ উদযাপন করেছে। এই অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সোশ্যাল সার্ভিসেস ক্লাব এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সাংস্কৃতিক সংগঠন। উৎসবটি ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণকে রঙিন করে তোলে, যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের হাতে বানানো ফেস্টুন, ফ্লায়ার্স ও ব্যানার দিয়ে সাজিয়েছেন।

বসন্ত বরণে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ

বাসন্তী পোশাকে হাজারো শিক্ষার্থী হাতে ফুল নিয়ে বসন্তকে বরণ করে নেন, যা ক্যাম্পাসে একটি প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনএসইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আজিজ আল কায়সার, প্রতিষ্ঠাতা আজীবন সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ, সদস্য দুলুমা আহমেদ, উপাচার্য আবদুল হান্নান চৌধুরী, সহ–উপাচার্য নেছার উদ্দিন আহমেদ এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুর রব খান। এছাড়াও, অনুষ্ঠানে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পরিচালক, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উচ্চপদস্থ ব্যক্তিদের বক্তব্য

আজিজ আল কায়সার বলেন, ‘এনএসইউয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে বসন্তের আগমন আমাদের সবার জন্য আনন্দের বার্তা নিয়ে এসেছে। আমাদের বাঙালি সংস্কৃতি মিলেমিশে থাকার শিক্ষা দেয়, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করে।’ বেনজীর আহমেদ যোগ করেন, ‘বসন্ত মানেই নতুনত্ব, সংস্কৃতি ও তারুণ্যের উচ্ছ্বাস। এটি আমাদের জীবনে নতুন আশা ও সম্ভাবনার জন্ম দেয়।’

উপাচার্য আবদুল হান্নান চৌধুরী বলেন, ‘এনএসইউ শুধু শিক্ষার আলো ছড়ায় না, আমাদের শিক্ষার্থীরা সব সময় বাংলাদেশের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও ভাষাকে হৃদয়ে ধারণ করে।’ সহ–উপাচার্য নেছার উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বসন্ত আমাদের শেখায়, পুরোনো দুঃখ–বেদনা ভুলে নতুনভাবে শুরু করতে। সবাই মিলেমিশে আনন্দ ভাগাভাগি করাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পিঠা প্রদর্শনী

এনএসইউর প্লাজা এলাকা ঐতিহ্যবাহী নৃত্য, লোকগান ও পিঠা উৎসবের মাধ্যমে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে, যেখানে বিভিন্ন ধরনের টক–মিষ্টি পিঠা প্রদর্শন করা হয়। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিক্ষার্থীরা একটি ফ্ল্যাশ মব উপস্থাপন করেন, যা অনুষ্ঠানকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলে। এই আয়োজনটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সাংস্কৃতিক চেতনা ও সম্প্রীতির বন্ধনকে শক্তিশালী করেছে।