বন সংরক্ষণ ও জলবায়ু অভিযোজনে মার্কিন সহযোগিতা চাইলেন পরিবেশমন্ত্রী
বাংলাদেশের বন সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজন মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। রবিবার (১২ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দফতরে বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকালে তিনি এই আহ্বান ব্যক্ত করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত সহায়তা ও বিনিয়োগের ওপর জোর
সাক্ষাৎকালে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পানি ও বায়ু দূষণ রোধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিগত সহায়তা, প্রশিক্ষণ, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এসব ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত জরুরি। বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়, যেখানে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রতিক্রিয়া ও যৌথ উদ্যোগের প্রতিশ্রুতি
বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন দু’দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর জোর দেন। পাশাপাশি, তিনি বন সংরক্ষণ ও বন্যপ্রাণী পাচার রোধে সহযোগিতা বাড়ানোর কথাও তুলে ধরেন। তার মতে, এই ক্ষেত্রে যৌথ প্রচেষ্টা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
টেকসই উন্নয়ন ও সবুজ অর্থনীতির দিকে অগ্রসর
উভয় পক্ষ টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং সবুজ অর্থনীতি গড়ে তুলতে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তারা একমত হন যে, পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অপরিহার্য এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
এই বৈঠকটি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরিবেশ ও জলবায়ু ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে আরও কার্যকর উদ্যোগের দিকে পরিচালিত করতে পারে।



