প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমানের যৌথ উদ্যোগে দেশব্যাপী নদী-খাল পুনঃখনন কর্মসূচির সূচনা
প্রধানমন্ত্রী ও তারেক রহমানের নদী-খাল পুনঃখনন কর্মসূচি শুরু

দেশব্যাপী নদী-খাল পুনঃখনন কর্মসূচির সূচনা: পরিবেশ ও জলবায়ু সহনশীলতা জোরদারে যৌথ উদ্যোগ

পরিবেশ সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ হিসেবে দেশব্যাপী নদী-নালা ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির সূচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সোমবার (১৬ মার্চ) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর এলাকায় ‘সাহাপাড়া খাল’ খননের মাধ্যমে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা জলাধার সংরক্ষণ এবং পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

দিনাজপুরে আনুষ্ঠানিক সূচনা ও ভার্চুয়াল উদ্বোধন

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় প্রায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ খাল পুনঃখননের মাধ্যমে এই কর্মসূচির সূচনা করা হয়। একই সময়ে, তারেক রহমান ভার্চুয়ালি দেশের ৫৪টি জেলায় চলমান খাল খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন, যা জাতীয় পর্যায়ে পরিবেশগত উন্নয়নের একটি ব্যাপক উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

তারেক রহমানের আগমন ও কর্মসূচির বিবরণ

তারেক রহমান সোমবার সকাল ১০টার দিকে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছান, যেখানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। পরে তিনি বিশেষ বুলেটপ্রুফ বাসে করে সৈয়দপুর শহর অতিক্রম করে দিনাজপুরের উদ্দেশে রওনা হন। তার আগমনকে কেন্দ্র করে দিনাজপুর ও আশপাশের এলাকায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে, যা স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ ও সমর্থনকে প্রতিফলিত করে।

ব্যক্তিগত কর্মসূচি ও ঢাকায় প্রত্যাবর্তন

কর্মসূচি শেষে, তারেক রহমান দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর গোরস্তানে গিয়ে তার নানা মরহুম মো. ইস্কান্দার মজুমদার, নানি মরহুমা তৈয়বা মজুমদার এবং খালা খুরশীদ জাহান হকসহ নিকট আত্মীয়দের কবর জিয়ারত করবেন। দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি সম্পন্ন করার পর, রাত সাড়ে ৯টার দিকে তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে, যা তার ব্যস্ত কর্মতালিকা এবং জাতীয় উন্নয়নে অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

এই নদী-খাল পুনঃখনন কর্মসূচি জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে, যা দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই ভিত্তি তৈরি করতে সহায়ক হবে।