ঢাকার বাতাস 'অস্বাস্থ্যকর', বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ অবস্থান
ঢাকার বাতাস 'অস্বাস্থ্যকর', বিশ্বে চতুর্থ দূষিত শহর

ঢাকার বাতাস 'অস্বাস্থ্যকর' হিসেবে চিহ্নিত, বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ স্থান

বিশ্বের বিভিন্ন শহরে দিন দিন বায়ুদূষণ বৃদ্ধি পাচ্ছে, এবং দীর্ঘদিন ধরে মেগাসিটি ঢাকাও এই সমস্যার কবলে রয়েছে। কিছুদিন আগে শহরটির বায়ুমান কিছুটা উন্নতি লক্ষ্য করা গেলেও, সম্প্রতি আবার দূষণের মাত্রা বেড়ে চলেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল সাতটায় আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা ১৪৮ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে। এই স্কোরটি সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য 'অস্বাস্থ্যকর' হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা শহরের বাসিন্দাদের স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

বিশ্বের শীর্ষ দূষিত শহরগুলির অবস্থান

একই সময়ে, দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিওন শহর ১৬৩ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করেছে। দেশটির রাজধানী সিউল ১৫৬ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, মিশরের রাজধানী কায়রো ১৫৫ স্কোর নিয়ে তৃতীয় স্থানে আছে, এবং উগান্ডার রাজধানী কাম্পালা ১৪২ স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে। এই তালিকা থেকে স্পষ্ট যে, বায়ুদূষণ একটি বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, বিশেষ করে এশিয়া ও আফ্রিকার শহরগুলিতে।

একিউআই স্কোরের শ্রেণিবিভাগ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি

একিউআই (এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স) স্কোরের ভিত্তিতে বায়ুমান মূল্যায়ন করা হয়। শূন্য থেকে ৫০ স্কোর ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়, ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি, এবং ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর 'অস্বাস্থ্যকর' বায়ু নির্দেশ করে, যা সাধারণ জনগণের জন্যও ক্ষতিকর হতে পারে। ২০১ থেকে ৩০০ স্কোর 'খুব অস্বাস্থ্যকর' হিসেবে চিহ্নিত হয়, যেখানে শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ ব্যক্তিদের বাড়ির ভেতরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। ৩০১ থেকে ৪০০ স্কোর 'ঝুঁকিপূর্ণ' বলে গণ্য করা হয়, যা নগরবাসীর জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করে। ঢাকার ১৪৮ স্কোর এই প্রেক্ষাপটে সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য উদ্বেগজনক।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন, বিশেষ করে ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ শহরে, যেখানে দূষণের মাত্রা নিয়মিতভাবে স্বাস্থ্য সতর্কতা জারি করছে। শহরটির বায়ুমান উন্নয়নে স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করা এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।