আগামী সপ্তাহে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, চার বিভাগে ঝড়ের সম্ভাবনা
সারাদেশে বিরাজমান গুমোট আবহাওয়ার মধ্যেই আগামী সপ্তাহে বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সংস্থাটির মতে, আগামী চারদিন আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক ও তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেলেও সোমবার থেকে দেশের চারটি বিভাগে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসের বিস্তারিত
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মোহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিকের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
আগামী শুক্রবার (৬ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শনিবার (৭ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
রোববার (৮ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সাথে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
সোমবার থেকে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
এছাড়া আগামী পাঁচদিনের মধ্যে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা রয়েছে বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি। আবহাওয়া অধিদপ্তর জনগণকে সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে, বিশেষ করে যেসব অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে সেখানে নিরাপদে থাকার জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এই পূর্বাভাসটি দেশের কৃষি, পরিবহন ও দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। গুমোট আবহাওয়া ও তাপমাত্রার পরিবর্তনের সাথে সাথে স্বাস্থ্য সুরক্ষার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
