কালশীর বস্তিতে আগুন, পুড়ে গেছে শতাধিক ঘর
কালশীর বস্তিতে আগুন, পুড়ে গেছে শতাধিক ঘর

রাজধানীর কালশীর একটি বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে শতাধিক ঘরবাড়ি পুড়ে গেছে। ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

আগুন লাগার সময় ও কারণ

সোমবার দুপুর ১২টার দিকে কালশীর ওই বস্তিতে আগুন লাগে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের তথ্য

ফায়ার সার্ভিস জানায়, আগুনে প্রায় ১০০ থেকে ১৫০টি ঘর পুড়ে গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে বস্তির বাসিন্দারা তাদের সর্বস্ব হারিয়ে এখন অসহায় অবস্থায় পড়েছেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয়রা জানান, বস্তিটি ঘিঞ্জি এলাকায় অবস্থিত হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন।

ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রম

ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা বলেন, আগুন যাতে আরও ছড়াতে না পারে সেজন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

ঘটনাস্থলে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। তারা বস্তির বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কাজ করেন।

সরকারের ভূমিকা ও ত্রাণ কার্যক্রম

স্থানীয় সংসদ সদস্য ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তারা ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের আশ্বাস দেন। ত্রাণ হিসেবে শুকনো খাবার, পানি ও নগদ অর্থ বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বস্তির বাসিন্দারা জানান, তাদের কোনো জিনিসপত্র বাঁচাতে পারেননি। পরিবার নিয়ে এখন তারা রাস্তায় দাঁড়িয়ে। সরকার ও প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন তারা।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অগ্নিকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ও প্রতিরোধ

রাজধানীর বস্তিগুলোতে প্রায়ই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘিঞ্জি বসতি, অপরিকল্পিত বৈদ্যুতিক সংযোগ ও দুর্বল ফায়ার সেফটি ব্যবস্থার কারণে এসব ঘটনা ঘটে। তারা বস্তিগুলোতে ফায়ার সেফটি ব্যবস্থা জোরদার করার ওপর জোর দেন।

ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা বস্তিগুলোতে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য নিয়মিত তদারকি ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবে।

এ ঘটনায় আরও তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।