অর্থনৈতিক কৌশল কমিটির প্রথম সভা: প্রকল্পে আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা
অর্থনৈতিক কৌশল কমিটির প্রথম সভা, প্রকল্পে পরিবর্তন

অর্থনৈতিক কৌশল কমিটির প্রথম সভা: প্রকল্পে আমূল পরিবর্তনের ঘোষণা

সরকারের অর্থনৈতিক কৌশল প্রণয়নে গঠিত অ্যাডভাইজারি কমিটির প্রথম সভা আজ বুধবার শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছেন।

নতুন প্রকল্পে আমূল পরিবর্তন আসছে

রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর স্পষ্ট করে বলেন, নতুন সরকারের প্রকল্প প্রণয়নে আমূল পরিবর্তন আসবে। তিনি উল্লেখ করেন যে আগের প্রকল্পগুলো ছিল স্বজনতোষী পৃষ্ঠপোষকতার প্রকল্প। এখন পরিকল্পনার দার্শনিক ভিত্তি হবে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়ন বা সর্বজনের অংশগ্রহণ।

তিনি আরও যোগ করেন, আগে পরিকল্পনার নামে স্বরচিত ও স্বকল্পিত চমৎকার গল্প রচিত হয়েছে। এখন কর্মসংস্থান তৈরি হয়, এমনভাবে পরিকল্পনা করা হবে। সরকারি বিনিয়োগের সঙ্গে ব্যক্তি খাতের সমন্বয় থাকতে হবে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

সভার বিস্তারিত ও অংশগ্রহণকারী

এই সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি। কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন সাবেক পরিকল্পনা উপদেষ্টা ও অর্থনীতিবিদ ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, তবে তিনি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না।

সভা শেষে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বর্তমান চলমান সংকটকে সুযোগে পরিণত করার জন্য বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা তৈরি করার কথা জানান।

পরিকল্পনার সময়সীমা ও লক্ষ্য

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা জানান, চলমান প্রকল্পগুলো নিয়ে কাজ শুরু হয়েছে এবং আগামী বছরের জুনের মধ্যে প্রকল্প বিশ্লেষণের কাজ শেষ হবে। সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য মনজুর হোসেনের মতে, দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে নতুন পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শেষ হবে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

জ্বালানি নিরাপত্তায় কৌশলগত পরিকল্পনার বিষয়ে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, ভবিষ্যতের সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় খাদ্যের পাশাপাশি জ্বালানি খাতেও কৌশলগত মজুত গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধানসহ বিদ্যুৎ–জ্বালানির নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই হবে প্রধান লক্ষ্য।

চলমান প্রকল্প পুনঃসজ্জিত করা হবে

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি বলেন, সরকারি কাজের প্রতিবন্ধকতা হলে যেকোনো কিছু পুরোপুরি উচ্ছেদ করা যায় না। তাই চলমান প্রকল্পগুলো পুনঃসজ্জিত করা হবে।

এ ছাড়া নতুন করে পাঁচ বছরের কৌশলগত পরিকল্পনা তৈরি করা হবে বলে জানানো হয়, যা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।