দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দাম কমেছে, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮১৯ টাকা
স্বর্ণের দাম কমেছে, ২২ ক্যারেট ভরি ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮১৯ টাকা

দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামে উল্লেখযোগ্য পতন

ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝে চার দফা বৃদ্ধির পর বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে। গতকাল সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এই দাম হ্রাসের ঘোষণা দিয়েছে।

স্বর্ণের নতুন দাম কাঠামো

সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম ২,১৫৮ টাকা কমানো হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৪৫ হাজার ৮১৯ টাকা। এই দাম সোমবার সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে এবং মঙ্গলবার পর্যন্ত সমন্বিতভাবে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দামও কমেছে:

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • ২১ ক্যারেট স্বর্ণ: প্রতি ভরি ২,১০০ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৬২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • ১৮ ক্যারেট স্বর্ণ: প্রতি ভরি ১,৭৪৯ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ১ হাজার ১৪৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ: প্রতি ভরি ১,৪৫৮ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

স্বর্ণের দাম সমন্বয়ের পরিসংখ্যান

চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৫২ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৩০ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং ২২ দফা কমানো হয়েছে। গত ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

রুপার দামেও পতন

স্বর্ণের দাম কমানোর পাশাপাশি রুপার দামও কমেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা কমিয়ে ৫,৫৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যান্য ক্যারেটের রুপার দাম:

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  1. ২১ ক্যারেট রুপা: প্রতি ভরি ৫,৩০৭ টাকা
  2. ১৮ ক্যারেট রুপা: প্রতি ভরি ৪,৫৪৯ টাকা
  3. সনাতন পদ্ধতির রুপা: প্রতি ভরি ৩,৩৮৩ টাকা

চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৩১ দফা সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৭ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং ১৪ দফা কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল এবং মাত্র ৩ বার কমেছিল।

এই দাম পরিবর্তনগুলি বাজারের অবস্থা এবং ভূরাজনৈতিক প্রভাবের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা ভোক্তাদের জন্য স্বল্পমেয়াদী স্বস্তি বয়ে আনতে পারে।