আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের পতন
বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের দামে উল্লেখযোগ্য দরপতন হয়েছে। রোববার, ২২ মার্চ ২০২৬ তারিখে, বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, একদিনে স্বর্ণের দাম ২ দশমিক ৩৬ শতাংশ কমেছে, যা বিনিয়োগকারী ও ভোক্তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ খবর।
আন্তর্জাতিক বাজারের অবস্থা
গোল্ডপ্রাইস সূত্রে জানা যায়, সবশেষ আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ১০৮ দশমিক ৮৩ ডলার কমে ৪ হাজার ৪৯৪ ডলারে নেমে এসেছে। এই পতনের ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে স্বর্ণের বাজার অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ঘটনা ও অর্থনৈতিক নীতির পরিবর্তন এই দাম কমার পেছনে ভূমিকা রাখছে।
দেশের বাজারে প্রভাব
এদিকে, বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সূত্রে জানা গেছে, বিশ্ববাজারে দাম কমলে এর প্রভাব দেশের বাজারেও পড়ে। তাই যেকোনো সময় দেশের বাজারেও দাম কমানো হতে পারে। ইতিমধ্যে, বৃহস্পতিবার বিকালে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাজুস। সেদিন ভরিতে মূল্যবান এই ধাতুটির দাম ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমানো হয়েছে।
নতুন দাম নির্ধারণ
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ ও রুপার (পিওর গোল্ড ও সিলভার) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকেই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৫ হাজার ৬৭১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২ হাজার ২০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৬৪ হাজার ৫২১ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।
এই পরিবর্তন ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, বাজার পর্যবেক্ষণ করে সঠিক সময়ে বিনিয়োগ করা উচিত।



