আন্তর্জাতিক নারী দিবসে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ পুরস্কার পাচ্ছেন খালেদা জিয়া সহ ছয় নারী
নারী দিবসে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ পুরস্কার পাবেন খালেদা জিয়া সহ ছয়জন

আন্তর্জাতিক নারী দিবসে ছয় নারী পাচ্ছেন ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা

আন্তর্জাতিক নারী দিবসের উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশের নারী নেতৃত্ব ও অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ পুরস্কার প্রদান করা হবে ছয় জন নারীকে। এই তালিকায় রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা হস্তান্তর করা হবে।

খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’ হিসেবে সম্মাননা

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার (৬ মার্চ) এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বেগম খালেদা জিয়াকে ‘গণতন্ত্রের মানসকন্যা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আপসহীন সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তার নেতৃত্ব এবং গণতান্ত্রিক ধারার প্রতিষ্ঠায় অসামান্য অবদান রাখার জন্য তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে।

পাঁচ ক্যাটাগরিতে পাঁচ নারী পুরস্কৃত

মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, অন্যান্য বছরের মতো এবারও পাঁচটি পৃথক ক্যাটাগরিতে পাঁচজন নারীকে ‘শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ হিসেবে পুরস্কৃত করা হবে। এই বছর পুরস্কারপ্রাপ্ত নারীদের তালিকা নিম্নরূপ:

  1. অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী: নুরুন নাহার আক্তার
  2. শিক্ষা ও চাকুরি ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী: মোছা. ববিতা খাতুন
  3. সফল জননী নারী: নুরবানু কবীর
  4. নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে ফেলে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী: মোছা. শমলা বেগম
  5. সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখা নারী: মোছা. আফরোজা ইয়াসমিন

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি নারীকে তাদের নিজ নিজ ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান ও অদম্য মনোবলের জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হবে।

পুরস্কার অনুষ্ঠানের তাৎপর্য ও উদ্দেশ্য

পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক নারী দিবসের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়নের গুরুত্বকে সামনে আনার একটি সুযোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই পুরস্কার প্রথা দেশের নারীদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। বিশেষ করে, এই ধরনের স্বীকৃতি নারীর সংগ্রাম, নেতৃত্ব ও অবদানের গল্পকে দেশের জনসাধারণের সামনে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রোববারের অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র পুরস্কার বিতরণের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না; এটি নারী নেতৃত্ব ও সমাজে নারীর প্রভাবকে তুলে ধরার একটি মর্যাদাপূর্ণ ইভেন্ট হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে। এই আয়োজন নারীদের অগ্রগতি ও সাফল্যের গল্পকে জাতীয় পর্যায়ে প্রচার করার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়তা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।