হাল ফ্যাশনে নতুন লাইফস্টাইল ট্রেন্ড হিসেবে আরামদায়ক পোশাকের চাহিদা উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা মহামারি পরবর্তী সময়ে ঘরে বসে কাজের সংস্কৃতি এই পরিবর্তনের মূল কারণ।
আরামদায়ক পোশাকের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি
সম্প্রতি হাল ফ্যাশনের একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, ২০২৩ সালে আরামদায়ক পোশাকের বিক্রি ৪০% বেড়েছে। জিন্স ও ফরমাল শার্টের পরিবর্তে মানুষ এখন সুতির টি-শার্ট, সোয়েটশার্ট এবং লেগিংসের মতো পোশাক বেশি কিনছে। ফ্যাশন বিশেষজ্ঞ সারা আহমেদ বলেন, “লকডাউনের সময় মানুষ ঘরে বসে আরামদায়ক পোশাক পরতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে। এখন অফিসে গেলেও তারা সেই অভ্যাস ছাড়তে চায় না।”
ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতে পরিবর্তন
ফ্যাশন ব্র্যান্ডগুলোও এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। অনেক ব্র্যান্ড তাদের কালেকশনে আরামদায়ক পোশাকের লাইন যুক্ত করছে। হাল ফ্যাশনের সিইও রফিকুল ইসলাম বলেন, “আমরা লক্ষ্য করেছি, গ্রাহকরা এখন আরাম ও স্টাইল উভয়ই চান। তাই আমরা এমন পোশাক ডিজাইন করছি যা আরামদায়ক হলেও ফ্যাশনেবল।”
ভবিষ্যৎ প্রবণতা
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রবণতা আগামী দিনে আরও বাড়বে। কাজের পরিবেশ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে পোশাকের ধরনেও আমূল পরিবর্তন আসবে। সারা আহমেদ আরও বলেন, “আমরা দেখতে পাচ্ছি, ক্যাজুয়াল ওয়্যার এখন শুধু বাড়ির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বাইরেও মানুষ আরামদায়ক পোশাক পরতে পছন্দ করছে।”



