গুলশানে উদ্বোধন হলো ‘ফিশ অ্যান্ড কোং’-এর দ্বিতীয় আউটলেট, নটিক্যাল থিমে সাজানো
গুলশানে ‘ফিশ অ্যান্ড কোং’-এর দ্বিতীয় আউটলেট উদ্বোধন

গুলশানে ‘ফিশ অ্যান্ড কোং’-এর দ্বিতীয় আউটলেটের যাত্রা শুরু

রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় বিশ্বখ্যাত সি-ফুড রেস্টুরেন্ট চেইন ‘ফিশ অ্যান্ড কোং’-এর দ্বিতীয় আউটলেট আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে। সম্প্রতি গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউয়ের এভারগ্রিন মেহের টাওয়ারে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই নতুন শাখার উদ্বোধন করা হয়, যা শহরের সি-ফুড প্রেমীদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিতি

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত সিঙ্গাপুর প্রজাতন্ত্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিচেল লি। এছাড়াও ফিশ অ্যান্ড কোং রেস্টুরেন্টস প্রাইভেট লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার লুইস হো এবং বাংলাদেশের পক্ষে সৈয়দ ফারুক আহমেদ ও এহসানুল কবিরসহ প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধি এবং শহরের সি-ফুড অনুরাগীরাও এই আনন্দঘন মুহূর্তে অংশগ্রহণ করে, যা অনুষ্ঠানটিকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে।

গ্রাহক চাহিদা ও মানসম্মত সেবার প্রতিশ্রুতি

উদ্বোধনকালে প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেন, “গ্রাহকদের ব্যাপক চাহিদা এবং ভালোবাসার কারণেই আমরা গুলশানে আমাদের দ্বিতীয় আউটলেটটি চালু করতে পেরেছি। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের মানসম্মত সি-ফুড গ্রাহকদের আগের মতোই মুগ্ধ করবে এবং তাদের জন্য একটি অনন্য অভিজ্ঞতা নিয়ে আসবে।” এই উদ্যোগটি প্রতিষ্ঠানের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা এবং বাংলাদেশের বাজারে তাদের সম্প্রসারণের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

নটিক্যাল থিমে সজ্জিত আউটলেটের বৈশিষ্ট্য

গুলশান নর্থ অ্যাভিনিউয়ের ৫৪ নম্বর রোডের ১২/এ হাউসের এভারগ্রিন মেহের টাওয়ারে (১ম তলা) অবস্থিত এই আউটলেটটি সাজানো হয়েছে আধুনিক ‘নটিক্যাল থিমে’। এর নান্দনিক ইন্টেরিয়র ডিজাইন গ্রাহকদের সমুদ্রতট বা জাহাজে বসে খাওয়ার এক অনন্য অভিজ্ঞতা প্রদান করে। মেনুতে রয়েছে বিশ্বখ্যাত সব সি-ফুড আইটেম ও বৈচিত্র্যময় পদ, যা ভোজনরসিকদের জন্য আকর্ষণীয় পছন্দের সুযোগ তৈরি করেছে।

সকলের জন্য উন্মুক্ত সেবা

রেস্টুরেন্টটি এখন প্রতিদিন সব ভোজনরসিকদের জন্য উন্মুক্ত। সি-ফুডপ্রেমীরা তাদের পরিবার নিয়ে প্রিমিয়াম সি-ফুডের বৈচিত্র্যময় পদ উপভোগ করতে পারবেন, যা শহরের খাদ্য সংস্কৃতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এই উদ্যোগটি গুলশান এলাকার বাসিন্দা এবং দর্শনার্থীদের জন্য একটি প্রিমিয়াম ডাইনিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।