খালি পেটে দিনের শুরু করলে শক্তি কমে, অকারণে ক্ষুধা বাড়ে এবং পরে বেশি খাবারের প্রবণতা দেখা দেয়। অন্যদিকে পরোটা ও পাউরুটি দিয়ে নাশতা করলেও ফাইবার কম থাকায় পেট ভরা অনুভূতি বেশিক্ষণ টেকে না। গবেষণা বলছে, সকালের নাশতা বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই, বরং নাশতা হতে হবে পুষ্টিকর, ফাইবারসমৃদ্ধ ও ধীরে শক্তি দেওয়া খাবার দিয়ে। আর এই তিন শর্তই সবচেয়ে ভালোভাবে পূরণ করে ওটস।
ওটসের পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা
প্রতিদিনের শুরু যদি হয় এক বাটি ওটস দিয়ে, তাহলে সেই ছোট্ট অভ্যাস ধীরে ধীরে বদলে দিতে পারে আপনার ভেতর-বাহিরের শক্তি, হজম, ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ, এমনকি মনোযোগও। ওটসে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার বিটা-গ্লুকান রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং অপ্রয়োজনীয় খাবার গ্রহণ কমায়।
ওজন কমাতে ওটসের ভূমিকা
সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, ওজন কমাতে জুড়ি নেই ওটসের নাশতার। তবে তা খেতে হবে নিয়মিত আর ক্ষতিকর উপকরণ যেমন চিনি, কৃত্রিম মিষ্টিজাতীয় কিছু বা এমন কিছু বাদ দিয়ে। ওটসের সঙ্গে ফল, বাদাম বা দুধ যোগ করে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর নাশতা তৈরি করা যায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত ওটস খান তাদের ওজন কমার পাশাপাশি হৃদরোগের ঝুঁকিও কমে। ওটসে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ফাইবার কোলেস্টেরল কমাতে সহায়তা করে। তাই সকালের নাশতায় ওটস রাখা একটি ছোট কিন্তু কার্যকরী অভ্যাস যা দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।



