শহরের তাপমাত্রা বর্তমানে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকলেও অনুভূত তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যাচ্ছে। প্রচণ্ড গরমের পাশাপাশি বাতাসে উচ্চ আর্দ্রতা মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রাকে আরও কঠিন করে তুলছে।
আর্দ্রতার প্রভাব
চিকিৎসকদের মতে, শুধু তাপমাত্রা নয়, আর্দ্রতাও শরীরের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকলে ঘাম সহজে শুকায় না। ফলে শরীর নিজেকে ঠান্ডা করতে পারে না। এমন অবস্থায় দীর্ঘ সময় থাকলে হিট এগজস্টশন বা হিট স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
এ সময়ে অনেকেই লক্ষ্য করছেন, পাখার নিচে বসেও ঘাম শুকাচ্ছে না, বরং শরীর আঠালো ও ক্লান্ত লাগছে। চিকিৎসকদের মতে, এটাই আর্দ্রতার কারণে শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার ব্যর্থতার লক্ষণ।
করণীয়
বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন, এই সময়ে যতটা সম্ভব বাড়ির ভেতরে থাকা উচিত এবং দুপুরের তীব্র রোদ এড়িয়ে চলা প্রয়োজন।
সুস্থ থাকার সহজ অভ্যাস
প্রথমত, শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা জরুরি। ঘরের তাপমাত্রার পানি, ওআরএস, ডাবের পানি, লেবুর শরবত, ঘোল পান করা যেতে পারে।
দ্বিতীয়ত, ভারি শরীরচর্চা এড়িয়ে হালকা ব্যায়াম বা যোগাসন করা ভালো।
তৃতীয়ত, হালকা সুতির পোশাক পরা উচিত এবং ধূমপান ও মদ্যপান এড়িয়ে চলতে হবে। পাশাপাশি তেল-মশলাদার খাবারের পরিবর্তে সহজপাচ্য খাবার গ্রহণ করা স্বাস্থ্যকর।
সতর্কতা
গরমে মাথা ঘোরা, বমিভাব বা অতিরিক্ত দুর্বলতা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।



