আশরাফের পড়াশোনায় বিঘ্ন ও সাহানুর রহস্যময় আবির্ভাব
আশরাফ অ্যারিস্টোফেনিসের ‘ফ্রগস’ পড়তে ব্যস্ত ছিলেন, যখন হঠাৎ ভাবি ঘরে প্রবেশ করে তার চশমা খুলে নেন। ভাবি আশরাফের চুল আঁচড়ে ও শেরওয়ানি পরিয়ে তাকে সভ্য করে তোলার চেষ্টা করেন, কিন্তু আশরাফের মন পড়াশোনায় নিবদ্ধ ছিল। ভাবি তাকে নদীর পাড়ে বেড়াতে যাওয়ার প্রস্তাব দেন, যেখানে সুজনের দর্শন পাওয়া যাবে বলে মন্তব্য করেন।
সাহানুর আবির্ভাব ও আশরাফের বিভ্রান্তি
আশরাফের ছোট বোন টুনির আগমনে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। পরে, সাহানু চা নিয়ে এসে আশরাফের সাথে কথোপকথনে জড়িয়ে পড়েন। আশরাফ চা খাওয়ার সময় তার রুচি ও আবেষ্টনীর গুরুত্ব বর্ণনা করেন, কিন্তু সাহানু তার কথায় খোঁচা দেন। এক পর্যায়ে সাহানুর হাতে কাটা দেখে আশরাফ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং রক্তের মূল্য নিয়ে আলোচনা করেন।
সাহানু আশরাফের জন্য বিস্কুট আনতে গিয়ে হাত কেটে ফেলেন, যা আশরাফকে আরও আবেগপ্রবণ করে তোলে। আশরাফ সাহানুর হাতটি নিজের কাছে টেনে নিয়ে রক্তের প্রতি তার আকর্ষণ প্রকাশ করেন, এমনকি রক্ত চুষে খাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেন। এই ঘটনায় সাহানু লজ্জিত ও বিব্রত বোধ করেন।
রহস্যময় রাত ও গোপন বার্তা
পরের কয়েক দিন সাহানু আশরাফকে এড়িয়ে চলেন। এক রাতে, সাহানু আশরাফের ঘরে এসে তার সাথে কথা বলে এবং একটি গোপন বার্তা রাখেন। পরে, আশরাফ সাহানুর ঘরে গিয়ে দেখেন তার হাতে মেহেদি দিয়ে ‘আশি’ লেখা রয়েছে। এই দৃশ্য দেখে আশরাফের মনে রক্ত ও আবেগের তীব্র কল্পনা জাগ্রত হয়।
আশরাফ সাহানুর প্রতি তার ভালোবাসা ও কৌতূহল মিশ্রিত অনুভূতি নিয়ে বিভ্রান্ত হন। সাহানুর হাতের লেখাটি তার মনে গভীর রেখাপাত করে, এবং আশরাফ এই রহস্য উন্মোচনের জন্য ব্যাকুল হয়ে ওঠেন। গল্পটি আশরাফের আত্ম-অনুসন্ধান ও সম্পর্কের জটিলতাকে ফুটিয়ে তোলে।
