আন্তর্জাতিক খাদ্য আলোকচিত্র প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের জয়
আন্তর্জাতিক খাদ্য আলোকচিত্রে বাংলাদেশের সাফল্য

পিঙ্ক লেডি ফুড ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার ২০২৪ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের খাদ্য ও সংস্কৃতির অসাধারণ সব আলোকচিত্র স্থান পেয়েছে। এ বছর প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের দুই আলোকচিত্রী পুরস্কার জিতে দেশের জন্য গৌরব এনেছেন।

বাংলাদেশের আলোকচিত্রীদের সাফল্য

ঢাকার গাবতলী থেকে তোলা 'উন্মুক্ত রেস্তোরাঁ' শিরোনামের ছবিটি 'ফুড ফর লাইফ' বিভাগে প্রথম হয়েছে। ছবিটি তুলেছেন বাংলাদেশের আলোকচিত্রী মিথাইল আফরিগ চৌধুরী। অন্যদিকে বগুড়ার মহাস্থানগড় এলাকার সবজি বাজারের ছবি 'ফুড ফর সেল' বিভাগে প্রথম হয়েছে, যা তুলেছেন কাজী মোহাম্মদ গোলাম কুদ্দুস।

বিভিন্ন বিভাগে সেরা ছবি

প্রতিযোগিতার 'ফুড অ্যাট দ্য টেবিল' শাখায় প্রথম হয়েছে যুক্তরাজ্যের জো কেয়ার্নির তোলা তাজিকিস্তানের সোভিয়েত যুগের স্যানাটোরিয়ামের ক্যানটিনে একাকী নারীর খাদ্য গ্রহণের মুহূর্ত। এই ছবিটি প্রতিযোগিতায় সামগ্রিকভাবেও সেরা হয়েছে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

অস্ট্রেলিয়ার কারা বেয়ার্ড জাপানের কিয়োটোর নিশিকি মার্কেট থেকে তোলা ছবি 'স্ট্রিট ফুড' শাখায় সেরা হয়েছেন। হাঙ্গেরির লেহোচকি বালাজের 'ফুড ইন অ্যাকশন' শাখায় তোলা ছবিতে ধরা পড়েছে প্রজন্মের ভালোবাসা ও স্মৃতির উষ্ণতা।

স্পেনের আলবার্ট গনজালেস জাপানের ঐতিহ্যবাহী 'হিমোনো' পদ্ধতিতে রোদে শুকানো সামুদ্রিক মাছ স্কুইডের ছবি তুলেছেন। ইতালির মাইকেলা বালবোনি ও ফেদেরিকো বোরেলা নিজেদের ঘরের তন্দুর থেকে সদ্য ওঠা গরম রুটিতে হাত রাখা ছোট্ট আসিলবেকের ছবি তুলেছেন।

নেদারল্যান্ডসের মার্কো রুটেন সূর্যোদয়ের আলোয় ভারতের হাওড়া সেতুর নিচে হুগলি নদীতে জাল টানা জেলেদের ছবি তুলেছেন। আরেক নেদারল্যান্ডসের আলোকচিত্রী মায়া লেউইচ গাঢ় আলো-ছায়ার আবহে পরিবেশিত নুডলসের ছবি তুলেছেন, যার টেক্সচার যেন ছুঁয়ে দেখার মতো জীবন্ত, রহস্যময় ও আকর্ষণীয়।

অস্ট্রেলিয়ার ক্লডিয়া অ্যান্টনের ছবির শিরোনাম 'আ মিড–সেঞ্চুরি ম্যান অ্যান্ড হিজ কেক', যা 'কেক অ্যাওয়ার্ড' শাখায় সেরা হয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

প্রতিযোগিতার গুরুত্ব

পিঙ্ক লেডি ফুড ফটোগ্রাফার অব দ্য ইয়ার প্রতিযোগিতা বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ খাদ্য আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা। এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী আলোকচিত্রীরা তাদের ক্যামেরায় খাদ্য ও সংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরেন, যা বিশ্ব দরবারে খাদ্যের বৈচিত্র্য ও সৌন্দর্য প্রদর্শন করে।