গোপালগঞ্জে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে স্ত্রীকে বিয়ে দিলেন স্বামী, কাবিনে ৫ লাখ টাকা
পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে স্ত্রীকে বিয়ে দিলেন স্বামী গোপালগঞ্জে

গোপালগঞ্জে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে স্ত্রীকে বিয়ে দিলেন স্বামী, কাবিনে ৫ লাখ টাকা

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় এক অদ্ভুত ঘটনা ঘটেছে, যেখানে এক স্বামী তার স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরে ফেলার পর তাদের বিয়ে দিয়ে দিয়েছেন। রোববার দিবাগত রাতে কাশিয়ানী সদর ইউনিয়নের পূর্ব বরাশুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় এবং দীর্ঘদিনের সম্পর্ক

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব বরাশুর গ্রামের আলম চৌধুরীর স্ত্রী রিনি বেগমের (২৮) সঙ্গে লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার উদমারা গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের (২৭) দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয় এবং নিয়মিত যোগাযোগ হতো। বিষয়টি নিয়ে স্বামী আলম চৌধুরীর মনে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহ ছিল, যা শেষ পর্যন্ত সত্য প্রমাণিত হয়।

আপত্তিকর অবস্থায় হাতেনাতে ধরা এবং বিয়ের দাবি

রোববার দিবাগত রাত ৮টার দিকে আলম চৌধুরী তার দোকানে ব্যস্ত থাকার সুযোগে জাহাঙ্গীর গোপনে রিনির ঘরে প্রবেশ করেন। রাত ৯টার দিকে আলম বাড়িতে ফিরে নিজ কক্ষে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। এ সময় স্থানীয়রা জড়ো হলে পরিস্থিতির জটিলতা বুঝে স্ত্রী রিনি বেগম স্বামীকে তালাক দেওয়ার কথা জানান এবং প্রেমিক জাহাঙ্গীরের সঙ্গে বিয়ের দাবি তোলেন।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্বামীর সিদ্ধান্ত: ৫ লাখ টাকা কাবিনে বিয়ে সম্পন্ন

পরিস্থিতি সামাল দিতে ও স্ত্রীর সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে আলম চৌধুরী নিজেই ৫ লাখ টাকা কাবিনে তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন। বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর রাতেই আলম চৌধুরী নবদম্পতিকে নিজ দায়িত্বে বাসে তুলে দেন, যা এলাকাবাসীর মধ্যে বিস্ময় ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

স্থানীয় ইউপি সদস্যের বক্তব্য

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. জাকির হোসেন বলেন, "ওই নারীর পরকীয়ার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় আগে থেকেই গুঞ্জন চলছিল। এবার আলম নিজেই হাতেনাতে ধরে ফেলেন এবং স্ত্রীর সম্মতিতেই সবার সামনে তাদের বিয়ে দিয়ে দেন। এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।" এই ঘটনা সামাজিক সম্পর্ক ও নৈতিকতার প্রশ্নে নতুন বিতর্কের সূচনা করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।