ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের চাপ দ্বিগুণ, যানজট নেই
ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের চাপ দ্বিগুণ

ঈদযাত্রায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের চাপ দ্বিগুণ, যানজট নেই

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের অন্যতম ব্যস্ত সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের চাপ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকাল থেকেই পরিবার-পরিজনের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে নারায়ণগঞ্জ ছাড়ছেন হাজারো মানুষ। এতে যানবাহনের চাপ প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেলেও এখন পর্যন্ত মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ অংশে বড় ধরনের কোনো যানজটের খবর পাওয়া যায়নি।

যাত্রীদের স্বস্তিতে ঈদযাত্রা

সরেজমিনে দেখা যায়, সরকার কর্তৃক ঘোষিত ছুটির প্রথম দু’দিনের তুলনামূলক আজ তৃতীয়দিনে ঘরমুখো মানুষের অধিক চাপ রয়েছে। গন্তব্যে পৌঁছাতে অসংখ্য মানুষ টিকিট কাউন্টারগুলোতে ভিড় করছেন। তবে যানজটের অভাব যাত্রীদের স্বস্তিতে ঈদযাত্রা করতে সাহায্য করছে।

পুলিশের তৎপরতা

এ বিষয়ে শিমরাইল হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জুলহাস উদ্দিন বলেন, “ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি এড়াতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সাইনবোর্ড থেকে মেঘনা সেতু এলাকা পর্যন্ত ১২৪ পুলিশ সদস্য কাজ করছে। মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় আমাদের কোনো প্রকার গাফিলতি নেই। আশা করছি যানজটের কোনো রকম ভোগান্তি ঘটবে না।”

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পুলিশের এই তৎপরতা যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি সত্ত্বেও যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়েছে।

যানবাহনের চাপের কারণ

ঈদুল ফিতরের ছুটির মৌসুমে সাধারণত যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পায়। এবারও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকা ও চট্টগ্রামের দিকে যাত্রীদের সংখ্যা ব্যাপক হারে বেড়েছে। যানবাহনের মধ্যে বাস, ট্রাক, প্রাইভেট কার এবং মোটরসাইকেলের উপস্থিতি লক্ষণীয়।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ
  • যানবাহনের চাপ প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
  • নারায়ণগঞ্জ অংশে বড় ধরনের যানজট নেই।
  • পুলিশের ১২৪ সদস্য নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত।
  • যাত্রীরা স্বস্তিতে ঈদযাত্রা করছেন।

ঈদযাত্রার এই সময়ে যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি স্বাভাবিক হলেও, পুলিশের কার্যকর ব্যবস্থাপনা যানজট এড়াতে সাহায্য করছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুবিধার দিকে নজর রেখে চলছে এই তৎপরতা। আশা করা হচ্ছে, ঈদ উদযাপনের সময়েও যানবাহনের চলাচল মসৃণ থাকবে এবং যাত্রীরা নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।