মসজিদের বাজেট ঘুষ দিয়ে ছাড়ালে নামাজ হবে কি? শায়খ আহমাদুল্লাহর কঠোর বক্তব্য
মসজিদের বাজেট ঘুষ দিয়ে ছাড়ালে নামাজ হবে কি? আহমাদুল্লাহ

মসজিদের বাজেট ঘুষ দিয়ে ছাড়ালে নামাজ হবে কি? শায়খ আহমাদুল্লাহর কঠোর বক্তব্য

প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৯ পিএম

ইসলামি শরিয়াহ অনুযায়ী ঘুষ দেওয়া-নেওয়া উভয়ই হারাম এবং কবিরা গুনাহ হিসেবে বিবেচিত। বর্তমান সময়ে সরকারি কাজের জন্য ঘুষ লাগা একটি সাধারণ ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহর কাছে এক ব্যক্তি প্রশ্ন করেন, মসজিদের বাজেট ঘুষ দিয়ে ছাড়ালে নামাজ হবে কি?

শায়খ আহমাদুল্লাহর জবাব

জবাবে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, "মসজিদের বাজেট ছাড়াতে ঘুষ নিলে সেই ঘুষখোরদের জান্নাতে জায়গা হবে কিনা আল্লাহ জানেন। মানুষ তোমাকে টাকা দান করছে আল্লাহর ঘরে খরচ করার জন্য, ওই টাকা ঘুষখোরের দিবা ওটা জায়েজ হবে না।"

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

তিনি আরও যোগ করেন, "ওই টাকা দিয়ে মসজিদের বাজেট ছাড়ানোর দরকার নেই। তুমি ঘুষখোরকে বলবা পুরা টাকা তুমি খেয়ে ফেল। আমরা হারাম দিয়ে তোমার কাছ থেকে আল্লাহর ঘরের টাকা নেব না। আমাদের ঘর পাকার দরকার নেই, কাঁচা ঘরে নামাজ পড়ব।"

এর আগের বক্তব্য

এর আগে হাম নিয়ে আহমাদুল্লাহ বলেন, সরকারি হাসপাতালগুলোতে এনআইসিইউ সাপোর্ট বা শিশুদের ক্রিটিক্যাল ট্রিটমেন্ট সুবিধা একেবারেই অপ্রতুল। সামান্য অসুস্থতায় রোগীদের ঢাকায় ছুটে আসতে হয়, যা এক দুঃখজনক বাস্তবতা।

তিনি আরও বলেন, খুব অল্পতেই আমাদের সন্তানরা নানা ধরনের ভাইরাসজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তারা একদিকে কৃত্রিম ও অপ্রাকৃতিক জীবনধারায় বড় হচ্ছে, দিনদিন উন্নতির নামে প্রকৃতি ও মাটির সঙ্গে অনেকটাই সম্পর্কহীন হয়ে যাচ্ছে। ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। অপরদিকে পশ্চিমা সংস্কৃতির থাবায় মা-বাবার যথাযথ যত্ন থেকে তারা অনেকাংশে বঞ্চিত হচ্ছে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন, অনেক শিশু কাজের লোকের হাতে কিংবা ডে-কেয়ারে বড় হচ্ছে। ফলে শারীরিক ও মানসিকভাবে তারা দুর্বল হয়ে বেড়ে উঠছে। সেই সঙ্গে বিজাতীয় অপসংস্কৃতির প্রভাব ও উদাসীনতার কারণে স্পিরিচুয়াল দিক থেকেও আমাদের পরিবারগুলো দুর্বল এবং অনিরাপদ হয়ে পড়ছে। দিনদিন আমল, দোয়া, তাওয়াক্কুল সবকিছু আমাদের থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। ক্ষতিকর সব কিছুকে আমরা আপন করে নিয়েছি। আমাদের উচিত নিজেদের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য সচেষ্ট হওয়া।