ইসলামে কসম ভাঙলে কাফফারা দিতে হয়: বিস্তারিত জানুন
ইসলামে কসম ভাঙলে কাফফারা দিতে হয়

ইসলামে কসম ভাঙলে কাফফারা দিতে হয়: বিস্তারিত জানুন

অনেকেই আল্লাহর নামে কসম করতে বাধ্য হন। এ ধরনের কসম ভেঙে ফেললে কি গুনাহ হবে বা কাফফারা দিতে হবে? ইসলামী বিধান অনুযায়ী, কারো চাপে পড়ে বা বাধ্য হয়ে কৃত কসম ভেঙে ফেললেও কাফফারা দিতে হয়। তাই আপনার ভেঙে ফেলা কসমগুলোর জন্য কাফফারা আদায় করা আবশ্যক।

কসমের কাফফারা কী?

কসমের কাফফারা হলো, দশজন দরিদ্র ব্যক্তিকে দুই বেলা তৃপ্তি সহকারে খাবার খাওয়ানো অথবা দশজন দরিদ্র ব্যক্তিকে এক জোড়া করে কাপড় দেওয়া। এভাবে কাফফারা আদায় করার সামর্থ্য না থাকলে লাগাতার তিন দিন রোজা রাখতে হবে।

কুরআনের বাণী

আল্লাহ তাআলা বলেন, "আল্লাহ তোমাদের পাকড়াও করেন না অর্থহীন কসমের ব্যাপারে, কিন্তু যে কসম তোমরা দৃঢ়ভাবে কর সে কসমের জন্য তোমাদেরকে পাকড়াও করেন। সুতরাং এর কাফফারা হল দশ জন মিসকিনকে খাবার দান করা, মধ্যম ধরনের খাবার, যা তোমরা নিজেদের পরিবারকে খাইয়ে থাক, অথবা তাদের বস্ত্র দান করা, কিংবা একজন দাস-দাসী মুক্ত করা। যে সামর্থ্য রাখে না, তার জন্য তিন দিন রোজা রাখা।" (সুরা মায়েদা: ৮৯)

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

টাকা দিয়ে কাফফারা আদায়

কসমের কাফফারা টাকা দিয়েও আদায় করা যায়। খাবার খাওয়ানো বা পোশাক বিতরণের বদলে এর যে কোনোটির মূল্য অর্থাৎ দশজন মিসকিনকে দুই বেলা মধ্যম মানের খাবার খাওয়ালে যে ব্যয় হতো তা হিসাব করে বা দশ জোড়া পোশাকের মূল্য সদকা করলে কফফারা আদায় হয়ে যায়।

অনর্থক কসমের বিধান

আল্লাহর নামে অনর্থক বা অসম্ভব কাজের কসম করতে বাধ্য হলে পরবর্তীতে ওই কসম ভেঙে ফেলার কারণে আপনি গুনাহগার হবেন না। তবে আল্লাহর নামকে এভাবে অসম্মান করার কারণে গুনাহগার হবেন। ইসলামে কসমের গুরুত্ব ও কাফফারার বিধান স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা মুসলিমদের জন্য পথনির্দেশক হিসেবে কাজ করে।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ