চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে মাত্র ৭ মুসল্লি নিয়ে ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত
হাজীগঞ্জে ৭ মুসল্লি নিয়ে ঈদের জামাত

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে সীমিত পরিসরে ঈদুল ফিতরের জামাত

চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা এলাকায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় মসজিদে এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়, যেখানে মাত্র ৭ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন। মাওলানা আবু বক্করের ইমামতিতে শান্তিপূর্ণ ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে নামাজ আদায় করা হয়।

সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপনের প্রস্তুতি

এদিকে, শুক্রবার হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রার দরবার শরীফে পীর মাওলানা ইসহাক সাহেবের অনুসারীরা সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করার পরিকল্পনা করেছেন। চাঁদপুর জেলার মোট ৪০টি গ্রামের মধ্যে হাজীগঞ্জ উপজেলার প্রায় ৭-৮টি গ্রামের মুসল্লিরা এই উদ্যোগে অংশ নেবেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সাদ্রা এলাকায় ঈদের জামাতটি সীমিত পরিসরে আয়োজিত হলেও তা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে সম্পন্ন হয়। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি এবং দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। উপস্থিত মুসল্লিরা পরস্পরের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, যা সম্প্রীতি ও ঐক্যের বার্তা বহন করে।

Pickt প্রশস্ত ব্যানার — টেলিগ্রামের জন্য সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

উপজেলা প্রশাসনের বক্তব্য

হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনে আল জায়েদ হোসেন এই ঘটনা সম্পর্কে মন্তব্য করেন। তিনি জানান, "৭ জন মুসল্লি নিয়ে ঈদের জামায়াত হয়েছে, বিষয়টি আমরা জেনেছি। তবে সেখানে কোনো বিশৃঙ্খলা ছিল না, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল।" তার বক্তব্য থেকে প্রতীয়মান হয় যে, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলোতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সচেষ্ট রয়েছেন।

Pickt নিবন্ধের পরে ব্যানার — পারিবারিক চিত্রসহ সহযোগী শপিং লিস্ট অ্যাপ

এই ঈদুল ফিতরের জামাতটি হাজীগঞ্জ এলাকার ধর্মীয় জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সীমিত সংখ্যক মুসল্লির উপস্থিতি সত্ত্বেও, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানগুলো কীভাবে সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তি বজায় রাখতে পারে, তা এই উদাহরণের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে। স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করেন যে, ভবিষ্যতেও এমন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ধর্মীয় উৎসবগুলো উদযাপিত হবে।